1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিঙ্গাপুরের সঙ্গে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ এলপিজি সংকট নেই দাবি অপারেটরদের, সরবরাহে ঘাটতি না রাখতে মন্ত্রীর সতর্কতা বোয়িং কেনায় কোনো ‘গোপন এজেন্ডা নেই’: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন বিদেশি এয়ারলাইন্সের টিকিট কেনায় আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহারের সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সম্পাদকদের উদ্বেগ, আশ্বস্ত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এশিয়ান গেমস হকিতে ভারতের কাছে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ ২২ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টাকা লেনদেনে সতর্কবার্তা

সুর চৌধুরী ও তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২৮১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুপর্না সুর চৌধুরীর ব্যাংক অ্যকাউন্ট জব্দ করেছে এনবিআর।

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল থেকে সব ব্যাংকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

এনবিআরের চিঠি পাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি পরিপালন প্রতিবেদন পাঠাতে হবে এনবিআরে।

পি কে হালদারের অনিয়মের সহযোগী হিসেবে আটক ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক এমডি রাশেদুল হক ও পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জল কুমার নন্দি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেন। রাশেদুল হক জবানবন্দিতে বলেন, পি কে হালদারের ক্ষমতার অন্যতম উৎস ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। তার মাধ্যমেই পি কে হালদার বিভিন্ন অনিয়ম চাপা দিতেন। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক ও বর্তমানে নির্বাহী পরিচালক মো. শাহ আলমকে প্রতি মাসে দেওয়া হতো দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগের সহকারী পরিচালক থেকে যুগ্ম পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা বছরে দু’বার পরিদর্শনে আসতেন। অনিয়ম না ধরার জন্য প্রতিবার তাদের পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা দেওয়া হতো। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের ও পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্ট তলব করে এনবিআর।

আদালতে জবানবন্দির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর শাহ আলমকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পরিদর্শন বিভাগের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026