1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ

সুর চৌধুরী ও তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২২৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুপর্না সুর চৌধুরীর ব্যাংক অ্যকাউন্ট জব্দ করেছে এনবিআর।

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল থেকে সব ব্যাংকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

এনবিআরের চিঠি পাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি পরিপালন প্রতিবেদন পাঠাতে হবে এনবিআরে।

পি কে হালদারের অনিয়মের সহযোগী হিসেবে আটক ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক এমডি রাশেদুল হক ও পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জল কুমার নন্দি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেন। রাশেদুল হক জবানবন্দিতে বলেন, পি কে হালদারের ক্ষমতার অন্যতম উৎস ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। তার মাধ্যমেই পি কে হালদার বিভিন্ন অনিয়ম চাপা দিতেন। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক ও বর্তমানে নির্বাহী পরিচালক মো. শাহ আলমকে প্রতি মাসে দেওয়া হতো দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগের সহকারী পরিচালক থেকে যুগ্ম পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা বছরে দু’বার পরিদর্শনে আসতেন। অনিয়ম না ধরার জন্য প্রতিবার তাদের পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা দেওয়া হতো। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের ও পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্ট তলব করে এনবিআর।

আদালতে জবানবন্দির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর শাহ আলমকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পরিদর্শন বিভাগের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026