1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

২০২৩ পর্যন্ত কাজ হারাবেন অসংখ্য মানুষ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ২০১ বার দেখা হয়েছে

কাজের বাজার এখনই ঠিক হওয়ার সুযোগ নেই। আরো মানুষ চাকরি হারাবেন। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত কাজের বাজারে করোনার প্রভাব থাকবে। কাজ হারাবেন আরো বহু মানুষ। কমবে কর্মসংস্থান। বাড়বে দারিদ্র্য। বুধবার এমনই এক রিপোর্ট পেশ করেছে জাতিসংঘের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন। গোটা পৃথিবীর যে চিত্র তাদের রিপোর্টে ফুটে উঠেছে তা যথেষ্ট আশঙ্কার কারণ।

২০১৯ সালের শেষ পর্ব থেকে করোনার প্রকোপ শুরু হয়। ২০২০ সালের গোড়ায় তা ব্যাপক চেহারা নেয়। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তখন থেকেই কাজের বাজারে মন্দা শুরু হয়েছিল। ইউরোপ, অ্যামেরিকা সহ গোটা পৃথিবীতেই মানুষ কাজ হারাতে শুরু করেন। বিশেষত যারা দিন মজুরের কাজ করেন, তারা সবার আগে কাজ হারান। বেসরকারি ক্ষেত্রে এবং কর্পোরেট সেক্টরেও বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েন। জাতিসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের যেখানে কাজ হারিয়েছিলেন ১৮৭ মিলিয়ন মানুষ, সেখানে ২০২২ সালে ২০৫ মিলিয়ন মানুষ কাজ হারাবেন। ২০২০ এবং ২০২১ সালে সংখ্যাটি এর চেয়ে অনেক বেশি।

জাতিসংঘের ধারণা, ২০২৩ সালের আগে বাজার চাঙ্গা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, ওই সময় পর্যন্ত নতুন চাকরির বাজার তৈরি হবে না। হার কমলেও, চাকরি হারাতেই থাকবেন অসংখ্য মানুষ। বাড়বে বেকারত্ব। এবং একই সঙ্গে বাড়বে দারিদ্র্য।

জাতিসংঘের আশঙ্কা, দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যাবেন বহু মানুষ। তাদেরকে ফের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে বহু সময় লেগে যাবে। কারণ, গত কয়েক বছরে যে নতুন চাকরির বাজার তৈরি হয়েছিল, অতিমারির কারণে তা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রচুর ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তা আবার গড়ে ওঠা কঠিন।

ডিডাব্লিউয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের প্রধান। সেখানে তিনি বলেছেন, এক ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছে। কাজের বাজার অনেকটা পিছিয়ে গেছে। সেখান থেকে তাকে টেনে তুলতে অনেক বছর লেগে যাবে। এর ফলে একদিকে দারিদ্র্য বাড়বে, অন্যদিকে বাড়বে হতাশা। যার জেরে গৃহঅশান্তি, মেয়েদের উপর অত্যাচারের পরিমাণও বেড়ে যাবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026