1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ সামরিক মহড়া নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা পুলিশের ৪৯ পরিদর্শককে অবসরে পাঠাল সরকার রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ, কমছে ট্রেনের বিরতিও প্রশাসনে আবারও রদবদল: ৭ কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন ও প্রত্যাহার দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে

রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
রাজধানী ডেস্ক
রাজধানী ঢাকার তীব্র যানজট নিরসন এবং গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত রিকশা ও প্রচলিত অযান্ত্রিক বাহনগুলোকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করাসহ এলাকা ও দিনভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে ইলেকট্রিক বা ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
সম্প্রতি নগর ভবনে দেওয়া এক বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম জানান, ঢাকা শহরকে কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভক্ত করে রিকশা চলাচলের সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর ফলে এক অঞ্চলের জন্য নিবন্ধিত রিকশা অন্য অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারবে না। যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সড়কভিত্তিক চলাচলের সীমা এবং নির্দিষ্ট দিন নির্ধারণের বিষয়গুলোও বিবেচনায় রয়েছে। লাইসেন্সবিহীন কোনো রিকশা রাজধানীতে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। কেরানীগঞ্জ বা ডেমরার মতো সীমান্তবর্তী এলাকা কিংবা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কোনো রিকশা নির্বিচারে দক্ষিণ সিটির প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল করতে পারবে না।
ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, রাজধানীজুড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত ও উল্টোপথে চলাচল ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি যানজটকে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। নদীভাঙন, বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জীবিকার সন্ধানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের ঢাকামুখী অভিগমন নগরের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে ফুটপাত দখল ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। এই সংকট নিরসনে রিকশাসহ সংশ্লিষ্ট পরিবহনগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, এ সংক্রান্ত ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিধিবিধান ও আইনি রূপরেখা প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন ও আইন প্রণয়ন সম্পন্ন হলে সিটি কর্পোরেশন মাঠপর্যায়ে এর বাস্তবায়ন শুরু করবে। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে তিনি নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।
রিকশা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নগরীর বাস চলাচলেও কঠোর নজরদারি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ নির্ধারণের কাজ চলছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই পরিবহন ব্যবস্থাকেও একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। নগরকে বাসযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এদিকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার সমন্বিত খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে, যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম চালু হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সময়োপযোগী করে একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের কাজ এগিয়ে চলছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026