জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, বাজেটে পাচারের টাকা ফেরত আনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা শুধু বৈধ উপার্জনকারীদের জন্য। প্রকৃত অর্থে কালো টাকার মালিকদের
করোনা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৯৫ দশমিক ১৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। রোববার
পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন ও অকটেনের দাম বাড়ানোর কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে, বাড়বে বিভিন্ন পণ্যের দাম। ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাবে। চাপে পড়বে নিম্নআয়ের মানুষ। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সমন্বয় করতে না পারায় গত জুলাই থেকে দেশব্যাপী শিডিউল লোডশেডিং দিচ্ছে সরকার। লোডশেডিংয়ের কোপ এবার পড়তে যাচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানায়ও। বিদ্যুৎ
রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটনে মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরে (ভ্যাট গোয়েন্দা) গতি এসেছে। কখনও অভিযান আবার কখনও নিরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ঘাটিত হচ্ছে রাজস্ব। বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছর এই অধিদপ্তর ৩০১টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান
পুনঃতফসিল করা কোনো ঋণ ৬ মাস অনাদায়ী থাকলে তা সরাসরি ক্ষতিজনক মানে শ্রেণীকরণ করতে হবে। এছাড়া প্রকৃত আদায় ব্যতীত পুনঃতফসিল করা ঋণের সুদ আয় খাতে নেওয়া যাবে না। সব ক্ষেত্রে
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ৪১ শতাংশই আসে হুন্ডির মাধ্যমে। বৈধপথে আসে ৫৯ শতাংশ। এমন তথ্য দিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এটি তার নিজস্ব একটি গবেষণা। তবে এখনো হুন্ডির
নিজস্ব প্রতিবেদক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমরা সবসময় অফিসিয়াল চ্যানেলে বিদেশ থেকে টাকা আসুক সেটা প্রত্যাশা করি। কারণ এটার যে সুফল সেটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। হুন্ডির মাধ্যমে যদি
বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের বয়স ৫০ বছর পার হয়েছে আগেই। করোনা মহামারির মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশ আর্থিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকলেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ছিল জোরালো। আবার চলতি বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের
বিশ্বব্যাংক এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কাছে ২০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার রয়টার্স প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির জন্য এ