আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতি। নির্বাচনকালীন সরকার ইস্যুতে অনড় অবস্থানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
বিশ্বব্যাংক বলেছে, মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ, মূলধন সংকট ও সুশাসনের অভাবে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ঝুঁকির মাত্রা বেড়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বাড়ছে আর্থিক সংকট।
ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা আসছে। এ ব্যাংক নীতিমালায় ঋণখেলাপিদের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে আনছে। আর তা হলো ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হতে হলে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি হওয়া যাবে না। কোনো
আদালতের আদেশে এক দশক হয়ে গেল নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী, দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত দুটো নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা
নির্বাচনী সঙ্কট সমাধানে ফের সংলাপের সুর বেজে উঠেছে। গত দুই দিনে সরকারি দলের শীর্ষ স্থানীয় কমপক্ষে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নির্বাচন ইস্যুতে সংলাপ কিংবা আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন
বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিলে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এর আগে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে চায় না ক্ষমতাসীনরা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক
আগামী জুলাইয়ে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে, একই সঙ্গে কমে আসবে মূল্যস্ফীতির চাপও। তবে পণ্য আমদানিতে অব্যাহত নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং জ্বালানি ঘাটতির নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিল্প
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে প্রায় ২৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) ভোর থেকে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপার থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা
দিন যত গড়াচ্ছে আধুনিকায়ন হচ্ছে মারণাস্ত্রের। বিশ্ব দেখছে ভয়ানক অস্ত্রের ক্ষমতা। সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দেখা মিলেছে আধুনিক সব মারণাস্ত্রের। ক্ষমতাধর দেশগুলোর হাতে রয়েছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও বিধ্বংসী ড্রোন
নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কী হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সর্বত্রই কৌতূহল। কারণ, বিরোধী দলগুলো নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার চায়। আর এ জন্য তারা বছরে পর বছর রাজপথে আন্দোলনে রয়েছে। অন্যদিকে