1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গুম মানবতার বিরুদ্ধে চরম অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সাত নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক গুম দিবসে নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধের দাবি নাহিদ ইসলামের নাটকের শুটিং শেষে ঢাকা ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা গ্রিস ও ইসরায়েলের মধ্যে ৩৪০ কোটি ডলারের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করা জরুরি ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পে ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য, দুর্নীতির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

রাজধানীর প্রধান সড়কে অটোরিকশা নিষিদ্ধ, অভ্যন্তরীণ চলাচলে লাগবে বুয়েটের সনদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে
রাজধানী ডেস্ক
রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তবে ঢাকা শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে অটোরিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে কেবল সর্বোচ্চ চার যাত্রী বহনকারী ই-রিকশাকে নিবন্ধন দেওয়া হবে এবং ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো ই-রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতাভুক্ত করা হবে না।
রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ই-রিকশা নিয়ন্ত্র সংক্রান্ত এসব নতুন নীতিমালা ও সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণের এই নীতিমালাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নীতিমালাটি এখন ভেটিংয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে ভেটিং শেষে যত দ্রুত সম্ভব, এক সপ্তাহ বা তার পরবর্তী সপ্তাহের মধ্যে এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। এই আইন ও নীতিমালার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা ই-রিকশা খাত সম্পূর্ণ শৃঙ্খলার মধ্যে চলে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
নতুন নীতিমালায় ই-রিকশা নিবন্ধনের শর্ত হিসেবে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), অন্য কোনো স্বীকৃত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল বিভাগের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস বা উপযুক্ততার সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশা নিবন্ধনের অনুমতি পাবে না। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাগুলো মূলত এই নিবন্ধন প্রদান করবে। বুয়েট বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফাইড ডিজাইন অনুযায়ী উৎপাদিত যানবাহনগুলোই কেবল এই নিবন্ধনের জন্য বিবেচিত হবে।
ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্ট এবং অবৈধ কারখানার বিষয়েও নীতিমালায় কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে। চার্জিং পয়েন্টগুলোর লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকা অনুযায়ী নিজ নিজ কর্তৃপক্ষ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এছাড়া পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ই-রিকশা চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং পরবর্তীতে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে। অন্যদিকে, রাজধানীসহ দেশজুড়ে যত্রতত্র গড়ে ওঠা ই-রিকশার অবৈধ কারখানাগুলোর সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব সরকারের কাছে নেই। নীতিমালার মাধ্যমে এসব উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকেও সুনির্দিষ্ট লাইসেন্স ও নিয়মের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জোনিংভিত্তিক চলাচলের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ট্রাফিক বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মোট আটটি নির্দিষ্ট জোন তৈরি করা হবে। নিবন্ধিত ই-রিকশাগুলো নির্ধারিত এই আটটি জোনের আওতায় থাকবে এবং প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা রঙের কোড নির্ধারণ করা হবে। এক জোনের ই-রিকশা যাতে সহজে অন্য জোনে প্রবেশ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। কোন ই-রিকশা কোন নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করবে, তা সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। একইসঙ্গে যানজট এড়াতে এসব যানবাহনে আধুনিক জিও-ফেন্সিং ব্যবস্থা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই রাজধানীর মূল বা প্রধান সড়কগুলোতে ই-রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রধান সড়কে আলাদা রিকশা লেন তৈরি করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও জটিল হওয়ায় কেবল অভ্যন্তরীণ সংযোগ সড়কগুলোতেই এগুলোর চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে যাত্রী ধারণক্ষমতা দুই থেকে চার জন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ছয় আসনের কোনো ই-রিকশা ঢাকায় নিবন্ধিত না হলেও গ্রামীণ এলাকা ও অন্যান্য জেলা শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা বিধি অনুযায়ী নিবন্ধন পাবে। এই নীতিমালা কঠোরভাবে কার্যকর করা গেলে যানজট নিরসন এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026