1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গুম মানবতার বিরুদ্ধে চরম অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সাত নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক গুম দিবসে নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধের দাবি নাহিদ ইসলামের নাটকের শুটিং শেষে ঢাকা ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা গ্রিস ও ইসরায়েলের মধ্যে ৩৪০ কোটি ডলারের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করা জরুরি ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পে ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য, দুর্নীতির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

গুম মানবতার বিরুদ্ধে চরম অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ হচ্ছে গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স। এটি মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন। বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় সরকারবিরোধী আন্দোলন বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাদের দমনে এ ধরনের নিষ্ঠুর পথ বেছে নেয়। বাংলাদেশের পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার দমন করতে গুম-অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। গুম হওয়া ব্যক্তিদের আটকে রাখতে তৈরি করা হয়েছিল গোপন বন্দিশালা, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করেছে। বর্তমান সরকার এসব ঘটনার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম শুরু করার পাশাপাশি জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেছে। এসব বিল আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে গুম বা অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ বন্ধ হবে বলে সরকার আশা প্রকাশ করে।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গুম বা অপহরণ কেবল একটি সংখ্যা বা ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়, বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার অপমৃত্যু। স্বজনহারা পরিবারগুলোর দিন কাটে এক চরম অনিশ্চয়তা ও অন্তহীন বেদনার মধ্যে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট চক্রের পতনের পর কিছু মানুষ ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের সন্ধান আজও মেলেনি।
আইসিসির রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এর দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র বা সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগ্রত রাখতে পালিত আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশনস নাউ’। এই মনুষ্যত্বহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী দুনিয়াজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানান।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026