1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গুম মানবতার বিরুদ্ধে চরম অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সাত নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক গুম দিবসে নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধের দাবি নাহিদ ইসলামের নাটকের শুটিং শেষে ঢাকা ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা গ্রিস ও ইসরায়েলের মধ্যে ৩৪০ কোটি ডলারের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করা জরুরি ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পে ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য, দুর্নীতির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করা জরুরি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের কাছে নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো সঞ্চয়পত্র। শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা সংসারের জরুরি প্রয়োজনে জমানো টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে থাকেন সাধারণ মানুষ। তবে পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ না করার কারণে অনেক সময় বিনিয়োগকারীরা কাঙ্ক্ষিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হন এবং ক্ষেত্রবিশেষে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের পূর্বে এর মেয়াদ, ব্যক্তিগত আর্থিক প্রয়োজন এবং মুনাফার নিয়মকানুনগুলো বিস্তারিত জানা অত্যন্ত জরুরি।
সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে প্রধান যে বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন, তা হলো তহবিলের তারল্য বা জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি। তিন থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদী সঞ্চয়পত্রে টাকা বিনিয়োগ করলে তা দীর্ঘ সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আপৎকালীন প্রয়োজন বা চিকিৎসার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে মেয়াদপূর্তির আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে গেলে মুনাফার হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যায়। তাই স্বল্পতম সময়ের মধ্যে অর্থের প্রয়োজন হতে পারে—এমন ভাবনা থাকলে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
বিনিয়োগের স্তর বা সিলিং সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণেও অনেক বিনিয়োগকারী আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। নিয়ম অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে একক নামে বিনিয়োগের নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে মুনাফার হার ধাপে ধাপে হ্রাস পায়। এই পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য বড় অঙ্কের অর্থ একক নামে বিনিয়োগ না করে পরিবারের অন্যান্য নির্ভরশীল সদস্য যেমন—পিতা-মাতা, স্ত্রী বা সন্তানের নামে ভাগ করে বিনিয়োগ করা একটি কার্যকর কৌশল। এতে যেমন মুনাফার হার সুরক্ষা পায়, তেমনি কর সংক্রান্ত জটিলতা থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী, কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন না থাকলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে উচ্চহারে উৎসে কর কর্তন করা হয়। সঠিক নিয়মে টিআইএন প্রদর্শন না করার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী প্রতিবার মুনাফা উত্তোলনের সময় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই বিনিয়োগের পূর্বে আয়কর রিটার্ন ও টিআইএন সংক্রান্ত প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
পাশাপাশি, বিনিয়োগকারীর নগদ অর্থের প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে সঠিক স্কিম নির্বাচন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে বিভিন্ন ধরনের স্কিম রয়েছে, যার মধ্যে কিছু স্কিমের মুনাফা মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করা হয়, আবার কিছু স্কিম তিন মাস অন্তর বা মেয়াদান্তে মুনাফা দিয়ে থাকে। মাসিক খরচের জন্য যাদের নিয়মিত আয়ের প্রয়োজন, তারা পরিবার সঞ্চয়পত্র বা নির্দিষ্ট মাসিকভিত্তিক স্কিম বেছে নিতে পারেন। পক্ষান্তরে যাদের দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, তারা অন্য স্কিমগুলো বিবেচনা করতে পারেন।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সবসময় ‘সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা’ নীতির ওপর জোর দিয়ে থাকেন। অর্থাৎ, ভবিষ্যতের সমস্ত সঞ্চয় একক কোনো খাতে বা কেবল সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সার্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন খাতে সুষমভাবে অর্থ বণ্টন করে বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026