শেয়ার বাজার ডেস্ক
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। উভয় পুঁজিবাজারেই সকালের সূচকের গতিপ্রকৃতিতে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, রবিবার লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করে। এর আগে লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটে সূচকটি ৯ পয়েন্ট বাড়লেও পরবর্তীতে বিক্রয়চাপের কারণে তা নিম্নমুখী হয়। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৮ পয়েন্ট কমে যায় এবং ২০ মিনিট পর সামান্য উন্নতি হয়ে ১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৫৫ পয়েন্টে নামে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১ হাজার ১৩৫ ও ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে মোট ৬৪ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৯টির, কমেছে ১৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করা প্রধান কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে– সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, সামিট পাওয়ার, বেক্সিমকো লিমিটেড, সায়হাম টেক্সটাইল, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, এমএল ডায়িং, সায়হাম কটন, ফার কেমিক্যাল এবং প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল।
অন্যদিকে, দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়। রবিবার লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় সিএসইর সার্বিক সূচক (সিএএসপিআই) ৩৭ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ১২৮ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে এর পরপরই সূচকের গতিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
এই সময়ে সিএসইতে মোট ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১২টির দাম বাড়ার বিপরীতে কমেছে ৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা ও ক্রিক্রয়-বিক্রয়ের দীর্ঘ মেয়াদী কৌশলের কারণে সূচকে এই ওঠানামা পরিলক্ষিত হচ্ছে। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মহলের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।