1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপ অঞ্চলে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ৪৬ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার এই কম্পন অনুভূত হয়। কয়েক দিন আগের একটি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে এই ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় অবস্থান নেন। তাৎক্ষণিকভাবে নতুন এই কম্পনে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা অতিরিক্ত হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বা এপিসেন্টার ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, অগভীর স্তরে সৃষ্ট ভূমিকম্প সাধারণত ভূপৃষ্ঠে তীব্র কম্পন তৈরি করে, যার ফলে দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ভেঙে পড়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
এর আগে গত ১৪ আগস্ট একই অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এক তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ভয়াবহ দুর্যোগে অন্তত অর্ধশত মানুষ নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। এছাড়া অসংখ্য ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি কার্যালয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। পূর্ববর্তী সেই ভূমিকম্পের প্রভাবে ফ্লোরেসের বেশ কিছু উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল এবং পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যার ফলে মূল সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো যখন পূর্ববর্তী ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, নিখোঁজদের অনুসন্ধান এবং বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষের পুনর্বাসনে কাজ করছে, ঠিক তখনই নতুন করে এই শক্তিশালী আফটারশক বা ভূকম্পন আঘাত হানল। উদ্ধারকর্মীদের মতে, নতুন এই ভূকম্পনের ফলে চলমান ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল কাঠামোর ভবনগুলো আরও ধসে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশ না করার এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগ্নেয় বলয়ের ওপর হওয়ায় দেশটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। একাধিক ভূত্বকীয় প্লেটের (টেকটোনিক প্লেট) সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখানে প্রায়ই মাঝারি ও তীব্র মাত্রার ভূকম্পন এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। বিশেষ করে ফ্লোরেস অঞ্চলের টেকটোনিক ফল্টলাইনগুলো ঐতিহাসিকভাবেই অত্যন্ত সক্রিয়।
আবহাওয়া ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর এমন ধারাবাহিক আফটারশক বা পরাঘাত আরও বেশ কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন পুরো অঞ্চলে নজরদারি জোরদার করেছে এবং জরুরি সেবাদানকারী দলগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছে, যাতে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026