1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

পুতিনের ‘প্রাসাদ’ রক্ষাকারী এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইউক্রেনের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে মস্কোর ভেতরের কৌশলগত ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোনের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেনের মানববিহীন ব্যবস্থা বাহিনীর কমান্ডার মেজর রবার্ট ব্রোভদির দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় পুতিনের বাসভবন থেকে প্রায় ১২ মাইল দূরে অবস্থিত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারীটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ড্রোন আঘাত হানার পর সেটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, কৃষ্ণসাগর উপকূলের এই বিলাসবহুল কমপ্লেক্সটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাসভবনের আশপাশে ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মোবাইল ফায়ার টিম মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া পুরো চত্বরটি প্রায় ২৭ বর্গমাইলের একটি সংরক্ষিত বাফার জোন দ্বারা বেষ্টিত এবং ওই অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। ইউক্রেনীয় সামরিক সূত্রের দাবি, এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল বাসভবনের সুরক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছিল না, বরং এখান থেকে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরের দিকেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হতো। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, এই ধরনের হামলায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর কোটি কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হচ্ছে এবং কিয়েভ মূলত রাশিয়ার সামরিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে এই ধরনের দূরপাল্লার অভিযান পরিচালনা করছে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনার পেছনে ভূ-রাজনীতি এবং চলমান যুদ্ধের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট গভীরভাবে জড়িত। রাশিয়া ইউক্রেনে নিজেদের সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে এস-৪০০ এর মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, কারণ দেশটির কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা সীমিত। অন্যদিকে, ইউক্রেনের ভেতরে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা বৃদ্ধির কারণে পুতিনের কৃষ্ণসাগর উপকূলের এই বাসভবনটি কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর ফলে রুশ প্রেসিডেন্ট তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত স্থান হিসেবে মস্কো থেকে প্রায় ১৮৫ মাইল পূর্বে ভালদাই হ্রদের কাছে অবস্থিত অপর একটি বাসভবনে বেশি সময় অতিবাহিত করেন বলে ধারণা করা হয়।
ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার পরিধি বর্তমানে কেবল কৃষ্ণসাগর উপকূলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরেও বিস্তার লাভ করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার আকাশসীমায় বড় ধরনের ড্রোন অভিযানের অংশ হিসেবে তাতারস্তানের একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয়, যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রুশ ভূখণ্ডে পরিচালিত অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে কিয়েভ মূলত মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করতে এবং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বসতে বাধ্য করতে সচেষ্ট রয়েছে।
তবে এই সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই উভয়পক্ষের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। যুদ্ধবিরতি এবং সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বারবার আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা হলেও রাশিয়া সেই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে। সম্প্রতি রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল গালুজিন ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত সাময়িক বন্ধ রাখার প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। মস্কোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সংঘাতের মূল কারণগুলোর স্থায়ী সমাধান ছাড়া কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা সামরিক কার্যক্রম স্থগিত করা সম্ভব নয়। ফলে চলমান এই সামরিক ও কূটনৈতিক বিরোধের কারণে ইউক্রেন সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026