1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
৭০ হাজারের বেশি শিক্ষক পাচ্ছেন অবসর ও কল্যাণ ভাতা, ছাড় হলো ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: সালাহউদ্দিন আহমেদ ছাত্রদলের ভুয়া কমিটি সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বিএনপির সতর্কতা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত অন্তত ৭, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে আঘাত ইউরোপ সফরে নগর বাউল জেমস: পর্তুগাল-ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে কনসার্ট ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি, উপকূলীয় এলাকা খালি করার নির্দেশ তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী কানাডার অন্টারিওতে অবৈধ অভিবাসীদের সামাজিক সহায়তা সুবিধা বাতিল গাংনীতে সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ দুই অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার ঢাকাকে আধুনিক ও দুর্গন্ধমুক্ত নগরী গড়তে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক স্থান উপযুক্ত বিবেচিত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্থানটি প্রাথমিক পরিদর্শনে উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। এখন বিস্তারিত সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য চীনা কারিগরি দলের পরবর্তী সফরের অপেক্ষায় রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। প্রতিনিধি দলটির সফরের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি জানতে চেয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে (ইআরডি) অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
২৯ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপ-সচিব ফাতেমা-তুজ-জোহরা ঠাকুর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অনুরোধ জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৫ থেকে ১৪ মে চীন সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থার (সিডকা) একটি কারিগরি দল বাংলাদেশ সফর করে। সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলটি গত ৮ মে রংপুর এবং ৯ মে নীলফামারীতে প্রস্তাবিত হাসপাতালের স্থান পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে ১৪ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় চীনা প্রতিনিধি দলের প্রধান জানান, নির্ধারিত স্থানে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে থেকেই বিদ্যমান থাকায় স্থানটি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পরিদর্শনের পর চীনা প্রতিনিধি দল তাদের প্রতিবেদন দেশটির দূতাবাসে জমা দেবে। এর ভিত্তিতে ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্ট ডকুমেন্ট (আইপিডি) প্রস্তুতের পূর্বে বিস্তারিত সমীক্ষা চালাতে চীনের আরেকটি বিশেষজ্ঞ দলের বাংলাদেশ সফর করার কথা রয়েছে। মূলত এই আইপিডি প্রণয়নের মাধ্যমেই প্রকল্পের চূড়ান্ত ব্যয় ও কাজের পরিধি নির্ধারিত হবে। তবে চীনা দূতাবাস বা ইআরডি—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত পরবর্তী প্রতিনিধি দলের সফরের সম্ভাব্য সময়সূচি জানানো হয়নি। প্রকল্পের কাজ যাতে নির্ধারিত গতিতে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে দ্রুত চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ইআরডিকে অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
প্রকল্পের বিবরণী থেকে জানা যায়, সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কের পাশে চড়াইখোলা ইউনিয়নের দারওয়ানী টেক্সটাইল মিলসের সংলগ্ন প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। নীলফামারী গণপূর্ত বিভাগের তথ্যমতে, এর মধ্যেই প্রায় ২৫ থেকে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ চীনা অনুদান সহায়তায় হাসপাতালটি নির্মিত হওয়ার কথা রয়েছে। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি শর্তসাপেক্ষে অনুমোদিত হয়। তবে বৈদেশিক অর্থায়ন বা চীনের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি নিশ্চিত না হওয়ায় প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রস্তাবিত এই বিশেষায়িত হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য একাধিক বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে অনকোলজি, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি এবং শিশু ও নবজাতকদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি, দুই শতাধিক ডায়ালিসিস মেশিনসংবলিত একটি আধুনিক ডায়ালিসিস সেন্টার এবং উন্নত রোগ নির্ণয় বা ডায়াগনস্টিক সুবিধা রাখা হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্মিত হতে যাওয়া এই হাসপাতাল চালু হলে এলাকার চিকিৎসাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। এ বিষয়ে নীলফামারীর সিভিল সার্জন আবদুর রাজ্জাক জানান, এই হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর দূরবর্তী জেলা কিংবা ঢাকায় যেতে হবে না। এটি কেবল নীলফামারী জেলার বাসিন্দাদেরই নয়, বরং পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধার মতো পার্শ্ববর্তী জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও উচ্চমানের চিকিৎসাসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026