1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন মাইলফলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ: ত্রাণমন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৭৩৪ দেশের সাত জেলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস গণতন্ত্রে উত্তরণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: ফ্রান্স-বাংলাদেশ সহযোগিতার প্রসার ক্যান্সার চিকিৎসায় গতি আনতে আইএনএমপি ও জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের সমঝোতা বাংলাদেশে নতুন শিল্প বিনিয়োগের প্রধান চালিকাশক্তি চীনা উদ্যোক্তারা রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব মার্কিন সিনেটে

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ: ত্রাণমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

চট্টগ্রামের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর খালগুলো পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, বাণিজ্যিক রাজধানী ও বন্দর নগরী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের ভৌগোলিক স্বকীয়তা বজায় রেখে নগরবাসীকে বন্যার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামের ভূ-প্রকৃতি পাহাড়, নদী, সমুদ্র এবং সমতলের সমন্বয়ে গঠিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলটি প্রাকৃতিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং খাল ও নালা ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নগরবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রী তার বক্তব্যে এই সংকট নিরসনে সরকারের মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে বিদ্যমান খালগুলো পুনঃখনন করা হবে। এর ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে গিয়ে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং তাদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। বর্তমান সরকার ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে আছে এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সব ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মাঠপর্যায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে পানি নিষ্কাশন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনায় পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন তার বক্তব্যে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নগরীর নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং খাল দখলমুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে। সরকার ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে কাজ করলে খুব দ্রুতই নগরবাসী এই সংকট থেকে মুক্তি পাবে।

সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, বন্দর নগরীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এর নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অপরিহার্য। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সরকারি সহায়তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়াসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনায় তাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু খাল পুনঃখনন নয়, বরং নগরীর সামগ্রিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জলাধার রক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে এর কর্মচাঞ্চল্য অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026