1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু মেক্সিকো ম্যাচের আগে ভ্রমণ ক্লান্তি ও পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ইকুয়েডর এইচএসসি পরীক্ষা: রাজধানীর কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার উদ্বেগ চট্টগ্রামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি বেসরকারি মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত, আবেদনের নির্দেশ

বেসরকারি মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত, আবেদনের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

দেশের বেসরকারি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের বেতন স্কেল ও গ্রেড পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’ এর আলোকে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদধারীরা এখন থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রাপ্য হবেন। সোমবার (২৯ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্যের অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যেসব শিক্ষক সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে ১১ কোডে যোগদান করেছেন এবং বর্তমানে এমপিওভুক্ত হিসেবে কর্মরত আছেন, তাদের ১০ কোডে বেতন নির্ধারণের জন্য আবেদন করতে হবে। এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘মেমিস’ (MEMIS) সফটওয়্যারের ‘পুনঃনিয়োগ’ (Re-appointment) অপশন ব্যবহারের মাধ্যমে। যথাযথ তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৯ জুন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার সই করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন স্কেল সংশোধন করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই বিভাগটি মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম আধুনিকায়ন ও শিক্ষকদের অধিকার সুরক্ষায় নীতিগত এই পরিবর্তন আনে। সংশোধিত পরিপত্র জারির পর থেকেই শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ছিল, যা সোমবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত বাস্তবায়নের রূপ নিলো।

সংশোধিত পরিপত্রের তথ্যানুযায়ী, শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি, কৃষি অর্থনীতি, মৎস্য, পশুপালন, কৃষি প্রকৌশল, বনবিদ্যা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি অর্জনকারীরা সরাসরি ১০ম গ্রেডে বেতন পাবেন। জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী এই গ্রেডের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারীদের সমকক্ষ হিসেবে ন্যূনতম তিন বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকরাও একই গ্রেডের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

তবে সাধারণ বিজ্ঞান শাখা থেকে আগত শিক্ষকদের জন্য নীতিমালায় কিছুটা ভিন্নতা রাখা হয়েছে। পরিপত্র অনুযায়ী, উদ্ভিদবিদ্যা বা প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা প্রাথমিকভাবে ১১তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন, যার বেতন স্কেল ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা পর্যন্ত। তবে এই ধারার শিক্ষকরা নিয়োগের পর বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) বা সমমানের পেশাদারী ডিগ্রি অর্জন করলে, তাদের বেতন স্কেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

নীতিমালায় যোগ্যতার পাশাপাশি কিছু কঠোর শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে আবেদনকারী বা কর্মরত শিক্ষকদের সমগ্র শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরেই একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া এই পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য সাধারণ প্রার্থীদের বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ধরে রাখা এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় ইনডেক্সধারী (নিবন্ধিত ও কর্মরত) প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা শিথিলযোগ্য থাকবে বলে পরিপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংশোধিত এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যেন এই নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, সেজন্য আদেশের অনুলিপি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস), বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ), বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং দেশের সকল জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনার আলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের ডাটাবেজ আপডেট করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026