1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ যুক্তরাজ্য ভিসায় জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্কবার্তা প্রদান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা স্বল্প সময়ে জনকল্যাণমুখী ও সাহসী বাজেট দিয়েছে সরকার: জাতীয় সংসদে হুইপ অপু মোহাম্মদপুরে ‘পাটালি গ্রুপের’ সেকেন্ড ইন কমান্ডসহ গ্রেপ্তার ৮ করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত, ব্যাংকে টিআইএন বাধ্যতামূলক হচ্ছে না প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়েছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নির্যাতিত তৃণমূল নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি শামা ওবায়েদের ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি সংসদ সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকনের চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে গেলেন সেনাপ্রধান

চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

চুয়াডাঙ্গায় জেলাজুড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বরে এ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়। চলিত বছরের এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট এক লাখ ৪৫ হাজার ৮৪৫ শিশুকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ কামাল, চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা. শামীমা ইয়াসমিনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা। উদ্বোধনের পর উপস্থিত অতিথিবৃন্দ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে জেলাব্যাপী এ কর্মসূচির সূচনা করেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৪১ জন। এই বয়সসীমার শিশুদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে, ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা এক লাখ ২৮ হাজার ৩০৪ জন, যাদেরকে লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। কোনো শিশু যেন এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলায় এই কর্মসূচি সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় মোট ৮৯৬টি আউটরিচ টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সকাল থেকে একযোগে ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের আওতাভুক্ত করতে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ক্যাম্পেইনটি সফল করতে জনবল বিন্যাসের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলাজুড়ে মোট এক হাজার ৮১২ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি ও ব্যবস্থাপনায় ২৬৮ জন সরকারি ও বেসরকারি কর্মী এবং মাঠপর্যায়ে কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে ১১৮ জন প্রথম শ্রেণির তত্ত্বাবধায়ক (ফার্স্ট ক্লাস সুপারভাইজার) নিয়োজিত রয়েছেন।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত এই ক্যাপসুল সেবনের ফলে শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়।

সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জনের জন্য প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার জনগোষ্ঠীর মাঝে বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়েছে। একইসঙ্গে কোনো শিশু যাতে অসুস্থ অবস্থায় বা খালি পেটে এই ক্যাপসুল গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজকের এই কার্যক্রমের মাধ্যমে জেলার শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026