1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর কূটনৈতিক মাইলফলক: জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব পাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত, সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত রাজধানীর লেক ও জলাধার উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সফল সফর শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিতা ও পুত্রের একই দিনে জন্মদিন: ৪২ বছরে পদার্পণ করলেন অভিনেতা অপূর্ব বাংলাদেশ-চীন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ঐকমত্য রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ৬৩ জন গ্রেপ্তার ৬৮ হাজারেরও বেশি হাজি দেশে ফিরেছেন, চলতি বছর মৃত্যু ৫৫ জনের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের আইআরজিসির পাল্টা হামলা আইসিসির কাছে অর্থায়ন ও ক্রিকেটীয় সুবিধা স্থগিতের আবেদন সাবেক বিসিবি সভাপতির

মুসলেরার গুরুতর ভুলে স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল উরুগুয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখার সমীকরণ নিয়ে স্পেনের মুখোমুখি হয়েছিল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। তবে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার একটি বড় ভুলের খেসারত দিয়ে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ল্যাটিন আমেরিকার এই পরাশক্তিকে। এই জয়ের মাধ্যমে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন, অন্যদিকে উরুগুয়ের বিশ্বকাপ মিশন এখানেই শেষ হলো।

মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধের ৪২তম মিনিটে স্পেনের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন আলেক্স বায়েনা। মাঠের বাঁ দিক থেকে তার নেওয়া তুলনামূলক সহজ একটি শট সামলাতে ব্যর্থ হন উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। বলটি তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় স্পেন। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় এই একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। গোল হজমের পরপরই উরুগুয়ের কোচ মার্সেলো বিয়েলসা মুসলেরাকে মাঠ থেকে তুলে বিকল্প গোলরক্ষক সের্হিও রোচেতকে মাঠে নামান। ৪০ পেরোনো এই গোলরক্ষক টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতেও ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছিলেন। তা সত্ত্বেও নকআউটের টিকিট নির্ধারণী এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে মূল একাদশে রাখার কৌশলগত সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে প্রমাণিত হলো।

ম্যাচের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল এবং আক্রমণের দিক থেকে বেশ এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। মাঠের মাঝভাগ নিয়ন্ত্রণে রেখে তারা স্পেনের রক্ষণভাগে একের পর এক আক্রমণ পরিচালনা করে। তবে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বা শেষ তৃতীয়াংশে কার্যকর পরিকল্পনার অভাব এবং ফিনিশিংয়ের দুর্বলতার কারণে গোলমুখে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় দলটি। স্পেনের সুসংহত রক্ষণভাগ ভাঙার মতো পর্যাপ্ত সৃজনশীলতা দেখাতে পারেনি মার্সেলো বিয়েলসার শিষ্যরা।

এই হারের ফলে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ শেষে মাত্র দুই পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো উরুগুয়ের। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের বিপক্ষেও পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। উরুগুয়ের গ্রুপ থেকে তিনটি ড্র করে তিন পয়েন্ট পাওয়া কেপ ভার্দে পয়েন্ট তালিকায় উরুগুয়ের ওপরে থেকে নকআউটের দৌড়ে টিকে রইল। স্পেনের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি ড্র করতে পারলেও গোল ব্যবধানে কেপ ভার্দেকে পেছনে ফেলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার গাণিতিক সুযোগ ছিল উরুগুয়ের সামনে। কিন্তু পরাজয়ের ফলে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। সাধারণত বিশ্বকাপের নিয়মানুযায়ী তৃতীয় স্থান অধিকারী সেরা দলগুলোর একটি হিসেবেও শেষ ষোলোয় ওঠার যে ক্ষীণ সুযোগ থাকে, সেটিও উরুগুয়ের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ অন্য গ্রুপগুলোর সমীকরণ অনুযায়ী ইতোমধ্যে আটটির বেশি দল অন্তত তিন পয়েন্ট অর্জন করে উরুগুয়েকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।

বিপরীত চিত্রে, উরুগুয়েকে হারিয়ে তিন ম্যাচে সর্বমোট সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে পা রাখল স্পেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর টানা দুই ম্যাচে পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিয়ে আসরের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানান দিল ইউরোপের এই জায়ান্টরা। তবে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা অন্য গ্রুপের ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

ম্যাচের শেষ দিকে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠার পরিবর্তে উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে এক ধরনের হতাশা ও মাঠের ভেতর মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা আগুস্তিন ক্যানোবিও রেফারির একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মাঠে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন, যা দলটির উপর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথেই হতাশার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে উরুগুয়ের ফুটবলারদের মধ্যে। মাঠেই লুটিয়ে পড়েন উরুগুয়ের ডিফেন্ডার ও ফরোয়ার্ডরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে এমন পরাজয় এবং বিশ্বকাপ থেকে অসময়ে ছিটকে পড়ার ঘটনাটি উরুগুয়ের ফুটবল ইতিহাসে একটি বড় বিপর্যয় হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026