1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে এসপিসহ আহত ৩০ বর্ষা মৌসুমের পর দেশে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নিউইয়র্কে ইকোসক মানবিক অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা, সমন্বিত প্রকল্পে জোর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৬ জন গ্রেফতার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের বদলে সমস্যা সমাধানের অংশীদার মনে করে সরকার: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ডিএমপির ২২০১ মামলা, ডাম্পিং ও রেকার সাড়ে ৭ শতাধিক পবিত্র আশুরায় তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না: মির্জা ফখরুল মাঠে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝেই নেইমারের পরিবারে নতুন অতিথি আসার বার্তা

আমদানি নীতি আদেশের খসড়া পরিমার্জনে ৪ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়া পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের চার সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটিকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নবগঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন— পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। দেশের আমদানি প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত স্থায়িত্ব, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং কৃষি খাতের নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোর যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতেই এই চার মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নীতি-নির্ধারকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই বিশেষ কমিটির মূল কার্যপরিধি বা প্রধান দায়িত্ব হবে ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর প্রস্তাবিত খসড়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা। বর্তমান দেশীয় বাজারের চাহিদা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিসমূহের বাধ্যবাধকতা এবং দেশের শিল্প খাতের স্বার্থ রক্ষা করে খসড়া নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিমার্জন, সংযোজন ও বিয়োজন করে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে পেশ করবে এই কমিটি। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কাজের পরিধি ও বাস্তব প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে কমিটি যেকোনো সময় অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করার এখতিয়ার রাখবে। এছাড়া কমিটির কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় সভার আয়োজন করা যাবে। এই কমিটির সার্বিক সাচিবিক ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদানের দায়িত্বে থাকবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। অবিলম্বে এই আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য আমদানি ও রপ্তানি নীতি আদেশ জারি করা হয়। এর আগে কার্যকর থাকা আমদানি নীতি আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ২০২৬-২০২৯ মেয়াদের খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশের বর্তমান শিল্পায়ন, এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) গ্র্যাজুয়েশন বা উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়ার মতো কৌশলগত বিষয়গুলো নতুন নীতি আদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীলতা, ডলার সংকট এবং অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মতো বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটি সুদূরপ্রসারী আমদানি নীতি প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি। নতুন এই মন্ত্রিসভা কমিটি গঠনের মাধ্যমে দেশের আমদানি ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আমদানি খাতের ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমানো এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের সমন্বয় সাধনে এই কমিটির সুপারিশসমূহ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026