1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে এসপিসহ আহত ৩০ বর্ষা মৌসুমের পর দেশে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নিউইয়র্কে ইকোসক মানবিক অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা, সমন্বিত প্রকল্পে জোর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৬ জন গ্রেফতার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের বদলে সমস্যা সমাধানের অংশীদার মনে করে সরকার: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ডিএমপির ২২০১ মামলা, ডাম্পিং ও রেকার সাড়ে ৭ শতাধিক পবিত্র আশুরায় তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না: মির্জা ফখরুল মাঠে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝেই নেইমারের পরিবারে নতুন অতিথি আসার বার্তা

লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে এসপিসহ আহত ৩০

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

অপরাধ ও আইন ডেস্ক

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর নন্দিনী রায় (৭) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (১৬ জুন) এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

নিহত নন্দিনী রায় স্থানীয় বাসিন্দা নলিনী কান্ত রায়ের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৫ জুন) দুপুর থেকে ওই শিশুটি নিখোঁজ ছিল। স্বজনদের অভিযোগ, রাতে তারা আদিতমারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। তবে নিখোঁজের রাতে জিডি না নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসনিকভাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে ফলিমারী গ্রামে একটি ভুট্টাক্ষেতে নতুন খোঁড়া মাটি দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে জেলা পুলিশ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় উত্তেজিত জনতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চড়াও হলে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ সুপার, বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি যানবাহন ভাঙচুর করে।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত বিধান চন্দ্র (২৩) ও রঞ্জিত কুমার রায় (৩০) নামে দুজনকে আটক করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পারিপার্শ্বিক আলামত পর্যালোচনা করে জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026