1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পাওনা জুলাই থেকে পরিশোধ ও মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ মরক্কোর কৌশলী ফুটবলের মুখে ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম অপসারণ সম্পন্ন ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প ও মোদি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সাথে ড্র, আরও উন্নতির তাগিদ কোচ আনচেলত্তির ওমান উপকূলে আবারও তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা ব্রাজিল ও মরক্কোর ড্রয়ে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর সূচনা তরুণ প্রজন্মের হাতেই দেশের উন্নয়ন নির্ভর করছে: মির্জা ফখরুল ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে তুরস্ক: প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে সতর্ক কোচ মন্টেলা

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয়

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে নেমেই ঐতিহাসিক জয় সুনিশ্চিত করেছে স্কটল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের একটি স্টেডিয়ামে রবিবার (১৪ জুন) অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে তারা ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ হাইতিকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে। এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে দীর্ঘ ৩৬ বছরের জয়খরা কাটালেন স্টিভ ক্লার্কের শিষ্যরা। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিলেও সেবার গ্রুপ পর্বের কোনো ম্যাচেই জয়ের দেখা পায়নি দলটি। এই জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছাল স্কটিশরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতির রক্ষণভাগের ওপর নিয়মতান্ত্রিক চাপ সৃষ্টি করতে থাকে স্কটল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা। বল দখল এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে দুই দলের মধ্যে তীব্র লড়াই হলেও প্রথমার্ধেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে প্রথম নিশ্চিত সুযোগটি তৈরি করেছিলেন স্কটিশ ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তাঁর একটি জোরালো শট হাইতির গোলরক্ষক অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রতিহত করেন। তবে হাইতিয়ান ডিফেন্ডাররা সেই বিপদ পুরোপুরি দূর করতে ব্যর্থ হন। গোলরক্ষকের হাত থেকে ছিটকে আসা ফিরতি বলটি (রিবউন্ড) বক্সের ঠিক সামনে পেয়ে যান স্কটিশ মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিন। অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় নিখুঁত ছোঁয়ায় বলটিকে প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই তারকা ফুটবলার।

পিছিয়ে পড়ার পর গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে হাইতি। মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কবজায় নিয়ে তারা বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক পাল্টা আক্রমণ সাজায়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ম্যাচের একটি বড় অংশ জুড়ে বলের দখল এবং আক্রমণের দিক থেকে লাতিন আমেরিকার দ্বীপ রাষ্ট্রটি তুলনামূলকভাবে এগিয়ে ছিল। তবে হাইতির স্ট্রাইকারদের চূড়ান্ত ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতা এবং স্কটল্যান্ডের সুসংগঠিত রক্ষণভাগের কল্যাণে গোলমুখ খুলতে পারেনি তারা। বিপরীতে, লিড নেওয়ার পর স্কটল্যান্ড ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করলেও হাইতির রক্ষণভাগ আর কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ পর্যন্ত জন ম্যাকগিনের করা একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ফুটবল ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিশ্বকাপে এটি স্কটল্যান্ডের পঞ্চম জয়। এর আগে চারবার বিশ্বমঞ্চে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল দলটি। দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর পাওয়া এই জয় স্কটিশ ফুটবলের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে পূর্ণ পয়েন্ট পেলেও স্কটল্যান্ডের মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের মাঝে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। বিশেষ করে হাইতির মতো উদীয়মান শক্তির বিরুদ্ধে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারা এবং প্রতিপক্ষকে আক্রমণের সুযোগ করে দেওয়া আগামী ম্যাচগুলোতে স্টিভ ক্লার্কের দলের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারলেও হাইতি যে ফুটবল উপহার দিয়েছে, তা টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026