1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মস্কোয় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, জ্বালানি ও বাণিজ্য সহযোগিতার ওপর জোর মেসি: দুই দশকের বিবর্তন ও ফুটবল রূপান্তরের এক মহাকাব্য এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ২০২৭ সালের হজের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ প্রকাশ, ফ্লাইট শুরু ৮ এপ্রিল সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিতাদেশ বহাল মুন্সীগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর অভিযুক্ত পুলিশে সোপর্দ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশ্বকাপের আগে সম্পূর্ণ ফিট হতে আশাবাদী স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল রংপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অভিযানে দালাল চক্র ও মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩০ প্রশংসনীয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ পুলিশ সদস্যকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুরস্কার

১৪০টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত ক্রমশ এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্য ও শিল্প খাতের সক্ষমতার একটি বড় দৃষ্টান্ত। আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ চিকিৎসা সরঞ্জামের মজুত পরিস্থিতি, ডেঙ্গু মোকাবিলায় গৃহীত প্রস্তুতি এবং বেসরকারি খাতের সাথে সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উচ্চ মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনের পাশাপাশি যদি দেশের অভ্যন্তরে আন্তর্জাতিক মানের ভ্যাকসিন বা টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা পুরোপুরি অর্জন করা সম্ভব হয়, তবে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পরিধি ও আয় আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। অতীতের বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম, জরুরি ওষুধ ও ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ঘাটতি ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অতীতে ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও সংকট দেখা দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের বেসরকারি খাতের সক্রিয় সহযোগিতায় মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসাসেবা ও উৎপাদন খাতকে স্বাবলম্বী করতে বেসরকারি বিনিয়োগের গুরুত্ব অপরিসীম বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি এবং এর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর মজুত প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান হিসেবে দিয়েছে। বর্তমানে সরকারি কেন্দ্রীয় স্টোরে এক লাখ ইউনিট স্যালাইন মজুত রয়েছে। এর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট করে স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লে যেন কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত স্যালাইন ও ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার আগাম সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে সাম্প্রতিক শিশুমৃত্যুর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজের জবাব দিতে আরও দুই দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। চিকিৎসায় অবহেলা বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে সরকার কোনো ছাড় দেবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমকে সামনে রেখে সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী আগাম সতর্কতামূলক ও প্রতিরোধমূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্তের হার এবং এর তীব্রতা কমিয়ে আনতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সিটি কর্পোরেশন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করতে হলে চিকিৎসা খাতের সাথে জড়িত সব অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্যখাতের টেকসই উন্নয়নে এবং চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026