1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জনগণের সেবক হিসেবে মাঠ প্রশাসনকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও সুপারিশ পেশ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি সই: প্রভাব ও বাধ্যবাধকতা বিশ্লেষণ পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসকদের বিশেষ নির্দেশনা কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব আরও প্রকট: চার মাসে ৯ শিশুর প্রাণহানি নিউ মেক্সিকোর মামলায় বড় আইনি জটিলতায় মেটা: কার্যক্রম বন্ধের আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ওয়াশিংটনে ‘সিলেক্টইউএসএ ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু, ২৫ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বর্ষণে বিপৎসীমার ওপরে সাত নদীর পানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বর্ষণে বিপৎসীমার ওপরে সাত নদীর পানি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

আবহাওয়া ডেস্ক

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টিপাতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা ও হবিগঞ্জ জেলার অন্তত সাতটি নদীর পানি আটটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার (৪ মে) সকালে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে দেশের অভ্যন্তরে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার। এই নিরবচ্ছিন্ন বর্ষণের ফলে হাওর অঞ্চলের নদ-নদীগুলোতে পানির চাপ তীব্র হয়েছে, যা নিম্নাঞ্চলের জনপদ ও ফসলি জমির জন্য আশঙ্কাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পয়েন্টে নলজুর নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, নেত্রকোণা জেলার নদ-নদীগুলোর পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। জেলার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার হ্রাস পেলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে অবস্থান করছে। একইভাবে জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমলেও বর্তমানে তা বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোণা সদর ও এর আশপাশে মগরা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সদর পয়েন্টে গত একদিনে পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। একই নদীর পানি আটপাড়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে। নেত্রকোণার নদীগুলোতে পানির এই উচ্চাবস্থান সংলগ্ন চরাঞ্চল ও হাওর এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানিও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। জেলার আজমিরীগঞ্জ পয়েন্টে কালনি নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। এছাড়া সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার নদীগুলোর পানির স্তর বর্তমানে ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে উজানে ভারতীয় অংশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এই পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আকস্মিক এই পানি বৃদ্ধিতে হাওর অঞ্চলের কৃষিজীবী ও মৎস্যজীবীদের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে দীর্ঘস্থায়ী হলে গ্রামীণ সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026