1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিগগিরই বিশেষ অভিযান কৃষি উন্নয়নে কৃষক কার্ড কর্মসূচি শুরু, পাঁচ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক লাইনে গ্যাস বেলুন পড়ায় কারওয়ান বাজার এলাকায় চলাচল সাময়িক বন্ধ, ১৫ মিনিট পর পুনরায় স্বাভাবিক গণভোটের অবস্থান নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য আখতার হোসেনের পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রার আগে সংস্কৃতি ও ধর্ম নিয়ে জামায়াত এমপির বক্তব্য মেট্রো রেলের বৈদ্যুতিক লাইনে গ্যাস বেলুন আটকে কারওয়ান বাজার অংশে চলাচল সাময়িক বন্ধ কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে ডলি বেগমের জয়, লিবারেল পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত যাত্রাবাড়ীতে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে এক কলেজছাত্রী নিহত, আহত তিনজন টেকনাফ স্থলবন্দরের কার্যক্রম ও অবকাঠামো পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা

সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন ও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা সংস্কার-সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়ন ও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এসব অধ্যাদেশের একটি অংশ ল্যাপস বা রহিত করার মাধ্যমে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং চিফ হুইপের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই অবস্থান জানানো হচ্ছে। এতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনিরসহ বিভিন্ন নেতা ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন জানান, সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১১০টি অধ্যাদেশ হুবহু বা সংশোধিত আকারে পাস করা হয়েছে। ৭টি অধ্যাদেশ রহিত এবং ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করায় কার্যত ল্যাপস হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগীয় সংস্কার, মানবাধিকার কমিশন এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ ল্যাপস হওয়ায় সংস্কার-প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তারা মনে করেন। তার দাবি অনুযায়ী, এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

মোমেন আরও অভিযোগ করেন, সংসদীয় বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে বিরোধী দলের দেওয়া কিছু নোট অব ডিসেন্ট যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। একই সঙ্গে সংসদে আলোচনার সময় বিরোধী সদস্যদের বক্তব্যের জন্য তুলনামূলকভাবে কম সময় দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, এসব কারণে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তিনি ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, জুলাই জাদুঘর বিল এবং মানবাধিকার ও পুলিশ কমিশন সংক্রান্ত কিছু প্রস্তাবিত আইনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে এবং বিল উত্থাপনের সময়ও স্বল্প ছিল। তাঁর অভিযোগ, এতে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পর্যালোচনার ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, গুম সংক্রান্ত আইন ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে সরকারের দেওয়া ব্যাখ্যায় অসঙ্গতি রয়েছে বলে তারা মনে করেন। তিনি দাবি করেন, কিছু আইনি কাঠামোতে বিদ্যমান বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ না হলে আইনের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিচারকদের শোকজ ও অধস্তন আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাঁর মতে, এসব বিষয়ে বিদ্যমান আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, গুম প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বাস্তব অগ্রগতি সীমিত রয়েছে। তাদের দাবি, এসব ক্ষেত্রে কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়িত না হলে জনআস্থার ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

বক্তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যদি পর্যাপ্ত অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী নেতারা মূলত সংসদীয় প্রক্রিয়া, সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন এবং বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন। তারা এসব বিষয়ে অধিকতর স্বচ্ছতা, আলোচনার সুযোগ বৃদ্ধি এবং নীতিগত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026