1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিগগিরই বিশেষ অভিযান কৃষি উন্নয়নে কৃষক কার্ড কর্মসূচি শুরু, পাঁচ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক লাইনে গ্যাস বেলুন পড়ায় কারওয়ান বাজার এলাকায় চলাচল সাময়িক বন্ধ, ১৫ মিনিট পর পুনরায় স্বাভাবিক গণভোটের অবস্থান নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য আখতার হোসেনের পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রার আগে সংস্কৃতি ও ধর্ম নিয়ে জামায়াত এমপির বক্তব্য মেট্রো রেলের বৈদ্যুতিক লাইনে গ্যাস বেলুন আটকে কারওয়ান বাজার অংশে চলাচল সাময়িক বন্ধ কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে ডলি বেগমের জয়, লিবারেল পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত যাত্রাবাড়ীতে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে এক কলেজছাত্রী নিহত, আহত তিনজন টেকনাফ স্থলবন্দরের কার্যক্রম ও অবকাঠামো পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা

পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রার আগে সংস্কৃতি ও ধর্ম নিয়ে জামায়াত এমপির বক্তব্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক
রাজধানীতে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈশাখী শোভাযাত্রার আগে ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা-১২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান (মিলন)। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত শোভাযাত্রার পূর্বে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাইফুল আলম খান বলেন, মানুষের মঙ্গল ও অমঙ্গলের মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায় যদি তাদের বিশ্বাসে মনে করে অন্য কোনো শক্তি বা জায়গার সঙ্গে তাদের ভাগ্য বা কল্যাণ জড়িত, তবে সে বিশ্বাসের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার কোনো অবস্থান নেই। তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী পয়লা বৈশাখকে সাংস্কৃতিকভাবে ধারণ করে।

তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পয়লা বৈশাখের প্রচলন ঐতিহাসিকভাবে সম্রাট আকবরের শাসনামলে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সন গণনার সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেই ধারাবাহিকতায় দেশে প্রতিবছর ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ পালন করা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলাম এমন সব সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে, যা তৌহিদ ও রিসালাতের মৌলিক বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলাম স্থানীয় সংস্কৃতিকে ধারণ করার মাধ্যমে সমাজে বৈচিত্র্য ও সহাবস্থানকে স্বীকৃতি দেয়। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পক্ষপাতী জামায়াতে ইসলামী, তবে ধর্মীয় মূলনীতি—বিশেষ করে তৌহিদ ও রিসালাতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয় এড়িয়ে চলা হবে।

ঢাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকা ঐতিহ্যগতভাবে মসজিদের শহর হিসেবে পরিচিত। গ্রামের কৃষকেরা আজান শুনে নামাজ আদায় করেন এবং এটি দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনের অংশ বলে তিনি মন্তব্য করেন। আজানের ধ্বনি ও ধর্মীয় অনুশাসন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি সাইফুল্লাহ মানসুরসহ সংগঠনটির সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর মহানগর পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করতে দেখা যায়।

শোভাযাত্রায় দেশীয় সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবে দেশীয় ফল, মাছ, পালকি এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও প্রতীকের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়। শোভাযাত্রার একটি অংশে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকীভাবে জাল ও চাঁই ব্যবহার করে মাছ ধরার দৃশ্য উপস্থাপন করেন, যা গ্রামীণ জীবনের চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়।

শোভাযাত্রাটি রাজধানীর হাইকোর্ট মোড় হয়ে রমনা পার্কের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে রমনা পার্কের বকুলতলায় দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের আয়োজনে বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়, যা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে চিরায়ত বাংলা গান, দেশাত্মবোধক সংগীত, জারি-সারি, গম্ভীরা, আবৃত্তি, পুঁথিপাঠ ও নাটিকা পরিবেশিত হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, নববর্ষের এই আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন ঐতিহ্য ও লোকজ উপাদান তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026