1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

ট্রাম্পের পোপবিরোধী মন্তব্যে ইতালিতে সমালোচনার ঝড়, মেলোনির কড়া প্রতিক্রিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ লিও চতুর্দশকে উদ্দেশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতালিতে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্যকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। রোববার রাতে ট্রাম্প পোপের সমালোচনা করেন, যা ইতালির রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমনে প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোপ লিও চতুর্দশ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অভিবাসন ইস্যুতে শান্তি, মানবিকতা এবং সংযমের পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি যুদ্ধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং অভিবাসীদের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানান। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প তার বৈদেশিক ও অভিবাসন নীতির সমালোচনার জবাবে পোপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এক বিবৃতিতে বলেন, একজন ধর্মীয় নেতার কাছ থেকে শান্তি ও মানবতার পক্ষে কথা বলা স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত। তিনি উল্লেখ করেন, পোপ ক্যাথলিক চার্চের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের নিন্দা করবেন এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাবেন—এটি তার দায়িত্বের অংশ। এমন প্রেক্ষাপটে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ জর্জিয়া মেলোনি দীর্ঘদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে পরিচিত। ২০২৫ সালে ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে একমাত্র ইউরোপীয় নেতা হিসেবে তার উপস্থিতি দুই নেতার ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে মেলোনির পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ট্রাম্পের সমালোচনা একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইতালির রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পোপের মর্যাদা এবং ইতালিতে ক্যাথলিক চার্চের প্রভাব বিবেচনায় এ ধরনের মন্তব্য দেশটির অভ্যন্তরীণ জনমতকে স্পর্শ করেছে। ইতালির জনগণের একটি বড় অংশ ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী হওয়ায় পোপের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্মীয় নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের মন্তব্য ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন বিশ্ব রাজনীতিতে অভিবাসন, যুদ্ধ ও মানবাধিকার ইস্যুতে মতপার্থক্য ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। পোপের অবস্থান সাধারণত মানবিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচিত হয়, অন্যদিকে রাষ্ট্রনেতাদের অবস্থান অনেক সময় জাতীয় স্বার্থ ও নীতির ওপর নির্ভরশীল। এই দ্বৈত অবস্থানের সংঘর্ষই সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026