1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ করদাতাদের জন্য সারাবছরের অনলাইন রিটার্ন সুবিধা ঘোষণা জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল: জ্বালানি বিভাগ অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মৃত্যু তদন্তের দাবি তোলার উদ্যোগ ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন অলকা ইয়াগনিকের গান থেমে গেল বিরল স্নায়বিক সমস্যায় আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে মুখোমুখি চ্যালেঞ্জ ও উদ্বেগ জাপান প্রথমবারের মতো দূরপাল্লার টাইপ-১২ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ইরান-মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা: মাহাল্লাতে হামলায় নিহত ১১

গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপির অভিযোগ: রাশেদ খানের বড় ধরনের জালিয়াতির দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

বিএনপি নেতা রাশেদ খান সোমবার (৩০ মার্চ) গণভোট অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে বিএনপিসহ একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এই বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

রাশেদ খান উল্লেখ করেন, বাতিল হওয়ার কথা বলা গণভোট অধ্যাদেশটি আসলে কী প্রক্রিয়ায় কার্যকর হয়েছে তা সঠিকভাবে বোঝা বা বোঝানোর জন্য পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী দেশে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে গণভোটটি যে দলিলের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে, সেটি নিয়ে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে বিতর্ক ছিল। কমিশনের কিছু প্রস্তাবে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট (বৈষম্যমূলক মতভেদ) ছিল।

তিনি দাবি করেন, জাতীয় সংসদে জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত বইটিতেও নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখিত ছিল। কিন্তু স্বাক্ষরের পর সরকার গণভোটে প্রকাশিত দলিলে নোট অব ডিসেন্ট বাতিল করে উপস্থাপন করে। রাশেদ খানের মতে, এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বড় ধরনের জালিয়াতি করেছে।

এছাড়া, তিনি বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ জারি হওয়ার সময় চারটি প্রশ্নের মধ্যে একটি মাত্র উত্তর প্রদানের অপশন রাখা হয়েছিল। যদি চারটি প্রশ্নের প্রতিটিতে স্বাধীনভাবে হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ রাখা হতো, তাহলে ভোটাররা স্বাধীনভাবে প্রতিটি বিষয়ে মত প্রকাশ করতে পারতো। তবে এই সুযোগও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাতিল করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনের পরে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে আলোচ্য বিষয়গুলো সংসদে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে গণভোটে নেওয়ার নিয়ম যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। বরং আগে বা একই দিনে গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের পরে গণভোট করার প্রচলিত প্রথাকে অমান্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া বিএনপির পক্ষ থেকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে জোরপূর্বক ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির মূল অবস্থান ছিল, সংসদে আলোচনা শেষে যেসব বিষয়ে ঐক্যমত না আসে সেগুলোর গণভোট আয়োজন করা উচিত। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং কয়েকজন কমিশন সদস্য তা এড়িয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ভোট আয়োজন করেছে। রাশেদ খানের দাবি, এই পদক্ষেপ ‘ডিপ স্টেট’-এর পরামর্শে নেওয়া হয়েছিল যাতে নির্বাচন ৫ বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত না হয় এবং রাজনৈতিক সংকট গভীর হয়।

রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, এখন বিএনপি যেসব বিষয়ে পূর্বে সম্মতি দিয়েছিল, সেগুলোই সংশোধন করবে। তিনি বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে তোলার মানে হলো পুনরায় আলোচনা করা, যা ইতোমধ্যেই জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে এই কার্যক্রম বিএনপির নয়, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু দুষ্ট উপদেষ্টা এবং কমিশনের কয়েকজন সদস্য নির্বাচনের স্থগিতকরণের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন।

তিনি শেষ করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং সমস্ত দিক বিবেচনায় রেখেই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026