1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপির অভিযোগ: রাশেদ খানের বড় ধরনের জালিয়াতির দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

বিএনপি নেতা রাশেদ খান সোমবার (৩০ মার্চ) গণভোট অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে বিএনপিসহ একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এই বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

রাশেদ খান উল্লেখ করেন, বাতিল হওয়ার কথা বলা গণভোট অধ্যাদেশটি আসলে কী প্রক্রিয়ায় কার্যকর হয়েছে তা সঠিকভাবে বোঝা বা বোঝানোর জন্য পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী দেশে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে গণভোটটি যে দলিলের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে, সেটি নিয়ে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে বিতর্ক ছিল। কমিশনের কিছু প্রস্তাবে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট (বৈষম্যমূলক মতভেদ) ছিল।

তিনি দাবি করেন, জাতীয় সংসদে জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত বইটিতেও নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখিত ছিল। কিন্তু স্বাক্ষরের পর সরকার গণভোটে প্রকাশিত দলিলে নোট অব ডিসেন্ট বাতিল করে উপস্থাপন করে। রাশেদ খানের মতে, এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বড় ধরনের জালিয়াতি করেছে।

এছাড়া, তিনি বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ জারি হওয়ার সময় চারটি প্রশ্নের মধ্যে একটি মাত্র উত্তর প্রদানের অপশন রাখা হয়েছিল। যদি চারটি প্রশ্নের প্রতিটিতে স্বাধীনভাবে হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ রাখা হতো, তাহলে ভোটাররা স্বাধীনভাবে প্রতিটি বিষয়ে মত প্রকাশ করতে পারতো। তবে এই সুযোগও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাতিল করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনের পরে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে আলোচ্য বিষয়গুলো সংসদে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে গণভোটে নেওয়ার নিয়ম যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। বরং আগে বা একই দিনে গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের পরে গণভোট করার প্রচলিত প্রথাকে অমান্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া বিএনপির পক্ষ থেকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে জোরপূর্বক ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির মূল অবস্থান ছিল, সংসদে আলোচনা শেষে যেসব বিষয়ে ঐক্যমত না আসে সেগুলোর গণভোট আয়োজন করা উচিত। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং কয়েকজন কমিশন সদস্য তা এড়িয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ভোট আয়োজন করেছে। রাশেদ খানের দাবি, এই পদক্ষেপ ‘ডিপ স্টেট’-এর পরামর্শে নেওয়া হয়েছিল যাতে নির্বাচন ৫ বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত না হয় এবং রাজনৈতিক সংকট গভীর হয়।

রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, এখন বিএনপি যেসব বিষয়ে পূর্বে সম্মতি দিয়েছিল, সেগুলোই সংশোধন করবে। তিনি বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে তোলার মানে হলো পুনরায় আলোচনা করা, যা ইতোমধ্যেই জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে এই কার্যক্রম বিএনপির নয়, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু দুষ্ট উপদেষ্টা এবং কমিশনের কয়েকজন সদস্য নির্বাচনের স্থগিতকরণের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন।

তিনি শেষ করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং সমস্ত দিক বিবেচনায় রেখেই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026