1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন এই আবেদন করেন। এর আগে গত ২৬ মার্চ একই মামলায় আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামুন খালেদকে গত ২৫ মার্চ গভীর রাতে রাজধানীর একটি এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ আটক করে। এ মামলায় তার দায়িত্ব ও সম্ভাব্য জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই সময়সীমার বাড়ানো প্রয়োজনীয় বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ২০০৭-০৮ সালের সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শেষ দিকে ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (সিআইবি) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় আসার পরও তিনি একই পদে অব্যাহত থাকেন। ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে তিনি ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

ডেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তদন্তকারীরা বলেছেন, মামলার মূল ফোকাসে থাকা ব্যক্তিদের কার্যক্রম ও তাদের সহযোগীদের তথ্য সংগ্রহে মামুন খালেদের অভিজ্ঞতা এবং পূর্বপরিচিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রিমান্ডের মাধ্যমে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত তথ্য ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

মামলার প্রেক্ষিতে আদালত রিমান্ড আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের পরে মামলাটির তদন্তের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং নতুন তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ হতে পারে।

এ মামলার সাথে যুক্ত অন্যান্য আসামিদের পরিচয়, অভিযোগের প্রকৃতি এবং সম্ভাব্য বিচার কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বিস্তারিতভাবে তথ্য সংগ্রহ করছেন। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মামলাটি আদালতে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026