1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপিতে পাঁচ শতাধিক আবেদন, মনোনয়ন ঘিরে তৎপরতা বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এ পাঁচ শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রার্থীরা এসব আবেদন দাখিল করেছেন। নির্ধারিত কোনো ফরম না থাকায় অধিকাংশ আবেদনকারী সাদা কাগজে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততার বিবরণ তুলে ধরেছেন। দলীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিপুলসংখ্যক আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলো এখন দলীয় উচ্চপর্যায়ে প্রেরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

দলীয় কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৬ মার্চ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশি আবেদন জমা পড়া দলীয়ভাবে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পর্যালোচনার জন্য দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন সিদ্ধান্ত আসবে।

আবেদনকারীদের অনেকে তাদের জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে দলীয় মিছিল, সভা-সমাবেশ ও অন্যান্য কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আলোকচিত্র সংযুক্ত করেছেন। এসবের মাধ্যমে তারা দলের প্রতি নিজেদের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও অবদান তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। আবেদনপত্রগুলো দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মাঠপর্যায়ের নেত্রীদের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশা নিয়ে তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলের আবেদনকারীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং নিজেদের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করছেন। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মনোনয়ন প্রাপ্তির আশায় অনেকেই ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।

একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই পৃথক পেজ বা প্ল্যাটফর্ম খুলে নিজেদের প্রচারণা চালাচ্ছেন। সেখানে দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ছবি, অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হচ্ছে। অনলাইন প্রচারণার মাধ্যমে দলীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই এই তৎপরতার প্রধান উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা দল ও ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নারী নেত্রীরা এ ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। কে কোন আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন, তা নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের পর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে পারে। যদিও দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়নি বলে জানা গেছে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনে যে দল যতটি আসনে জয়লাভ করে, তার অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সর্বশেষ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি এককভাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসনে জয়লাভ করায় সংরক্ষিত নারী আসনের বড় অংশ তাদের প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন আইন অনুসারে, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করবে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা অবশিষ্ট রয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম এবং নির্বাচিত নারীর সংখ্যাও সীমিত। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন হলে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব কিছুটা বৃদ্ধি পাবে, যা রাজনৈতিক অংশগ্রহণে নারীদের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026