1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চট্টগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তায় নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় সুবিধা সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় যুক্ত করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে সহায়তার আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর পাশাপাশি মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীকেও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল যে দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। তবে সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি বড় কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক সমন্বয় ও পরিকল্পনার বাস্তবায়নের একটি উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তার মতে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিও সেই প্রচেষ্টার একটি অংশ।

তিনি জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোট ৫ হাজার ৫৭৫টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত সুবিধাভোগী পরিবারগুলো বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সহায়তা ও সরকারি সুবিধা পাবে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই করে তালিকা প্রস্তুত করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনিক সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাশাপাশি সরকারের আরও কয়েকটি চলমান উদ্যোগের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে কৃষি খাতে সহায়তা, দরিদ্র কৃষকদের ঋণ পুনর্গঠন এবং উৎপাদন কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বল্পমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

এছাড়া নারী প্রধান পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাসিক আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। স্বাস্থ্য খাতেও কিছু সেবামূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়টিও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026