1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

টাঙ্গাইল শহরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যানজট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে স্বেচ্ছাসেবী টিম ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ঈদের চাঁদ রাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নিরালা মোড়, কালীবাড়ি ব্রিজ, বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের মোড় এবং ক্যালসুল মার্কেট এলাকায় স্বেচ্ছাসেবীরা তীব্র রোদে কাজ করছেন। তারা হলুদ-টিয়া রঙের বিশেষ ইউনিফর্ম পরে বাঁশি ব্যবহার করে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন। ইউনিফর্মে লেখা রয়েছে ‘সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’।

ঈদকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল ও অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে মানুষের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে শহরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চলাচল তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে। অটোরিকশা ও রিকশা চালকদের বক্তব্যে জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় যান চলাচলে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে শহরে যানবাহনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট সমস্যা এখনও রয়েছে।

শহরে কেনাকাটা করতে আসা রোকেয়া খাতুন মনিরা সুলতানা বলেন, “রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে মানুষের চাপ অনেক বেড়ে গেছে। আগে দীর্ঘ সময় ধরে সড়কে অপেক্ষা করতে হতো। স্বেচ্ছাসেবীদের কারণে চলাচল এখন কিছুটা সহজ হয়েছে।”

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবীরা জেলা পুলিশের সহযোগিতায় শহরের যানজট নিরসনে কাজ করছেন। তিনি এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে শহরে মানুষের চলাচল ও কেনাকাটার চাপ বেড়ে যায়। ভোগান্তি কমানোর জন্যই স্বেচ্ছাসেবী টিম কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শহরে যানজট নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা ছাড়াই কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে। তবে, দীর্ঘমেয়াদে টাঙ্গাইলের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সড়ক সম্প্রসারণ ও জনপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবীদের এই কার্যক্রম শুধু ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সীমিত নয়; এটি স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে স্বেচ্ছাসেবীরা নিয়মিত উপস্থিত থাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে শহরের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তবে যানবাহনের অতিরিক্ত সংখ্যা ও শহরের সড়ক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এমন উদ্যোগ একদিকে যেমন স্বস্তি প্রদান করছে, অন্যদিকে তা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে স্থানীয় নেতৃত্ব ও স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নগর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026