রাজনীতি ডেস্ক
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন এবং উল্লেখ করেন, “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব, ইনশাআল্লাহ।”
ইশরাক হোসেন প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে অংশ নিয়ে বিজয় অর্জন করেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরই তিনি নতুন মন্ত্রিসভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।
রাজনীতিকদের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ইশরাক হোসেনের অংশগ্রহণ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র করতে পারে। ঢাকা দক্ষিণে রাজনীতির ক্ষেত্রে তরুণ নেতৃত্বের উপস্থিতি এবং জনপ্রিয়তা নতুন রাজনৈতিক গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দেশের রাজধানী ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক এলাকা। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয় প্রাপ্তি রাজনৈতিক দিক থেকে সরকারের জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত, তরুণ ও নতুন নেতৃত্বের অংশগ্রহণ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে পারে।
ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক যাত্রা গত কয়েক বছরে দ্রুত গতিতে এগিয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ঢাকা-৬ এলাকায় স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার তৎপরতা ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিকে রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর প্রচারণা, ভোটার সংযোগ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইশরাক হোসেনের নতুন প্রার্থীত্বে তরুণ ভোটারদের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হবে। তার সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতা তাকে নির্বাচনী প্রচারণায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া, ঢাকা দক্ষিণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে তার নির্বাচনী কৌশল ও ভোটারদের সাথে সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ ও নির্বাচনী কার্যক্রম সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য নির্বাচন কমিশন শিগগিরই প্রকাশ করবে। নির্বাচনের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার দিকে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।