1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বৃদ্ধি, দাম নির্ধারণ নীতি কার্যকর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

সরকার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ করে ১৩৫টি ওষুধ থেকে বৃদ্ধি করে ২৯৫টি ওষুধে উন্নীত করেছে। এই ওষুধগুলোর দাম সরকারি নিয়ন্ত্রণে বিক্রি হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য দেশের জনগণের ওষুধ খাতে ব্যয়ের বোঝা কমানো এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করা।

৮ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই হালনাগাদ তালিকা অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতিও অনুমোদিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, তালিকাভুক্ত ওষুধ দেশের মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার চাহিদার ৮০ শতাংশ পূরণ করবে এবং রোগ নিরাময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, তালিকা ও নীতি চূড়ান্ত করার জন্য একটি টাস্কফোর্স ও কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এতে ওষুধ বিশেষজ্ঞ, শিল্প মালিক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও গবেষকসহ বিভিন্ন পক্ষের মতামত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অধ্যাপক সায়েদুর রহমান জানান, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য খরচের দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধের ওপর ব্যয় হয়। তাই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সব প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করে বাস্তবায়িত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ জানান, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের পক্ষ থেকে ওষুধের দাম পুনঃনির্ধারণ না হওয়ায় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছিল। ফলে বাজারে কম দামের ওষুধের সরবরাহ কমে গিয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তুলনামূলক বেশি দামের ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ফর্মুলাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ কার্যকর হলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ আবার বাজারে আসবে এবং তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাবে।

অধ্যাপক হামিদ বলেন, নতুন নীতি অনুযায়ী কোম্পানিগুলো মুনাফা করবে, তবে তা নিয়ন্ত্রিত হবে। অতিরিক্ত মার্কেটিং খরচের সুযোগ কমে যাবে, কারণ দাম ফর্মুলাভিত্তিক নির্ধারিত থাকায় অতিরিক্ত ব্যয় কোম্পানির নিজস্ব মুনাফা থেকে দিতে হবে।

ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ও ডেল্টা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, সরকারের তরফে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে শিল্প মালিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, প্রাইসিং সাব কমিটিতে তারা তাদের প্রস্তাব জানিয়েছিলেন, কিন্তু সরকারি পক্ষ থেকে তালিকা ও নির্ধারিত নীতি সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের জনগণ সাশ্রয়ী মূল্যে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য নির্ধারিত নীতি ও ফর্মুলাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ বাজারে স্থিতিশীলতা আনে এবং অতিরিক্ত দাম ও অপ্রয়োজনীয় বিপণন খরচ কমাতে সহায়তা করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026