1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

আদানির অভিযোগে বিপিডিবির এলসি নবায়নে ব্যর্থতা, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে উদ্বেগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

আদানী পাওয়ার লিমিটেড সম্প্রতি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বিরুদ্ধে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) নবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) ধারা ১৩.২(১) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে বৈধ ও পর্যাপ্ত এলসি বজায় রাখা বিপিডিবির দায়িত্ব। এলসি নবায়ন না হওয়া শুধু চুক্তি লঙ্ঘন নয়, বরং এটি বিদ্যুৎ সরবরাহের ধারাবাহিকতা ও আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ঋণদাতাদের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে।

২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর আদানি পাওয়ার লিমিটেড (প্রাক্তন এপি জে এল) ও বিপিডিবির মধ্যে স্বাক্ষরিত পিপিএ-তে বলা হয়েছে, বিপিডিবিকে সময়মতো বৈধ এলসি নবায়ন করতে হবে। এই এলসি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের নিরাপত্তা হিসেবে কাজ করে। তবে গত ১৮ জুলাই থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে সাত দফা চিঠি পাঠানো সত্ত্বেও বিপিডিবি এলসি নবায়ন করেনি। এ কারণে আদানি পাওয়ার এ পরিস্থিতিকে ‘ইভেন্ট অব ডিফল্ট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এলসি নবায়ন না হওয়া শুধু চুক্তি লঙ্ঘন নয়, এটি পিপিএ ও ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্ট বাস্তবায়নে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ঋণদাতাদেরও এতে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আদানি পাওয়ার গত ১৩ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ব্যর্থতার নোটিশ বিপিডিবিকে পাঠিয়েছে এবং সরকারের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানিয়েছেন, এলসি নবায়ন না হওয়া মানে হলো সরকার ঝুঁকি নিচ্ছে। এটি কোনো প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, বরং বিপিডিবির আর্থিক সংকটের প্রতিফলন। ক্রমবর্ধমান ক্যাপাসিটি চার্জ, ডলার সংকট ও ভর্তুকি নির্ভরতা বিপিডিবির আর্থিক ভারসাম্য নড়বড়ে করে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এলসি ইস্যু দীর্ঘায়িত হলে আদানি পাওয়ার চুক্তির অধীনে বিভিন্ন বিকল্প নিতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে প্রতিকার দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ সীমিত বা স্থগিত করা এবং আন্তর্জাতিক সালিশি পর্যায়ে যাওয়া। যার প্রতিটিই বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন উল্লেখ করেছেন, পিডিবি চুক্তি ভঙ্গের পর্যায়ে না যাওয়ার চেষ্টা করবে, তবে তার সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক সক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, “এলসি ইস্যুতে দুই পক্ষেরই আলোচনা করে সমঝোতায় আসা উচিত। আশা করছি, পিডিবি এই বিষয়ে সমঝোতা করবে।”

এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ খাতের নীতিনির্ধারকরা উদ্বিগ্ন যে, চুক্তি লঙ্ঘন ও এলসি নবায়নে অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগকে প্রভাবিত করতে পারে এবং দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026