1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ সামরিক মহড়া নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা পুলিশের ৪৯ পরিদর্শককে অবসরে পাঠাল সরকার রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ, কমছে ট্রেনের বিরতিও প্রশাসনে আবারও রদবদল: ৭ কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন ও প্রত্যাহার দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে

চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারের ক্ষমতা দিয়ে সংসদে বিল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২২৯ বার দেখা হয়েছে

চোরাচালানে জড়িত সন্দেহ যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার বা পরোয়ানা ছাড়াই গৃহ তল্লাশির ক্ষমতা দিয়ে সংসদে উত্থাপিত হয়েছে কাস্টমস আইন ২০১৯ বিল। বিলে চোরাচালান নিরোধে কাস্টমস কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা, গৃহ তল্লাশি ও আটকের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে কাস্টমস ডিউটি বা শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা বা চোরাচালানের মাধ্যমে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ৬ বছরের কারদণ্ডের পাশাপাশি উক্ত পণ্য বাজেয়াপ্ত করাসহ দুই থেকে তিনগুণ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বুধবার ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্ব একাদশ সংসদের চতুর্থ বৈঠকে কাস্টমস আইন ১৯৬৯ রহিত করে কাস্টমস আইন ২০১৯ বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এক মাসের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, গত বছর দশম সংসদের ২৩তম অধিবেশনে একই শিরোনামে (কাস্টমস বিল-২০১৮) সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন। বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে দশম সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ইতোমধ্যে সরকার বিলটিতে আরও কিছু পরিবর্তন এনে নতুনভাবে কাস্টমস বিল ২০১৯ শিরোনামে পুনরায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন নেওয়া হয়।

বিলে শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পেলে কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা ছাড়াই পণ্য বাজেয়াপ্ত বা জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। ওয়ারহাউস সুবিধার অপব্যবহার করলে ৩ বছরের কারদণ্ড এবং শুল্ক পরিশোধ ছাড়া পণ্য খালাসে সহায়তা করলে একই দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিলে দুই লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আদায়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিলে কাস্টমস হাউস বা ক্লিয়ারেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার সর্বোচ্চ পরিমাণ জরিমানা আরোপ করতে পারবেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতি বলা হয়েছে, কাস্টমস এ্যাক্ট ১৯৬৯-এর পরিবর্তে বাংলায় একটি আধুনিক কাস্টমস আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘ দিনের। এছাড়া বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত মান সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী আমদানি ও রপ্তানি পণ্যেও সাপ্লাই চেইন এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাণ ও বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার নেতৃত্বে কাস্টমস ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিবিধান সন্নিবেশ করে নতুন আইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

এছাড়া ট্রেড ফেসিলিয়েশন এগ্রিমেন্টের কতিপয় ধারাও আইনে অন্তভুক্ত করার আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যমান কাস্টমস এ্যাক্টকে আরও সহজ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক, যুগোপযোগী করাসহ বাংলা ভাষায় প্রণয়ণের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানিকারকসহ সকল অংশীজনদের সহজ সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে কাস্টমস আইন ২০১৯ সংসদে উত্থাপন করা হল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026