1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

বেঁচে থাকাটাই আনন্দের: বিদ্যা সিনহা মিম

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্কঃ গতকাল ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের জন্মদিন ছিল। বিভিন্ন পরিকল্পনা থাকা সত্ত্বেও, শেষ মুহূর্তে তিনি তার পরিবারে সঙ্গে সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। সহকর্মী ও প্রিয়জনদের ভালোবাসায় মিম এই দিনটি উদযাপন করেছেন, যা তার জন্য বিশেষ এক স্মৃতি হয়ে থাকবে।
বিদ্যা সিনহা মিম তার জন্মদিন সম্পর্কে বলেন, “এবারের জন্মদিনটা আমার কাছে খুবই বিশেষ ছিল। পরিবারকে নিয়ে বাসাতেই ছিলাম। অন্যান্য বছরের মতো বাইরে কোনো বড় আয়োজন ছিল না, তবে পরিবারের সান্নিধ্য আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়।”

তার মতে, দিনটি কাটানোর সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল কেক কাটার মধ্যে। মিম বলেন, “রাত থেকে একের পর এক কেক কাটতে কাটতে দিনটা পার হয়ে গেল। আমি কেক কেটে আর কথা বলেই জন্মদিনটা পালন করেছি।”

অভিনেত্রী আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতি সবার ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা তাকে বিশেষ অনুভূতি দিয়েছে। “ফেসবুক, ফোন কল, স্ট্যাটাসে অনেকেই আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং আমার জীবনের সংগ্রামের কথা লিখেছেন, যা আমার জন্য অনেক গর্বের।”

মিমের জন্য এই জন্মদিনের বিশেষত্ব শুধু কেক কাটার মধ্যে ছিল না, বরং এটি তার নিজের চিন্তা-ভাবনার একটি দিনও ছিল। তিনি বলেন, “জন্মদিনে আমি সবসময় নিজের মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করি। তবে পেছনে তাকাতে আমি বিশেষভাবে আগ্রহী নই। আমি সবসময় ভাবি, কীভাবে নিজেকে আরও উন্নত করা যায়।”

একটি প্রশ্নের জবাবে, মিম জীবনের অর্থ সম্পর্কে বলেন, “আমার কাছে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আনন্দের। বেঁচে থাকা নিজেই একটা আনন্দের বিষয়। আমি জীবনে সবসময় আনন্দ খুঁজে বেড়াই।”

প্রতিবছরের মতো, এবারও তিনি অনেক কেক কাটেন। কেকের সংখ্যা নিয়ে জানতে চাইলে মিম হেসে বলেন, “এবার অনেক কেক কেটেছি, তবে গুনে দেখিনি। এখনো কেক কাটার কাজ চলছেই, রাতে আরও কাটব।”

এদিনের উদযাপন মিমের জীবনে একটি মধুর স্মৃতি হিসেবে থাকবে, যা তাকে তার পরিবারের কাছে আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026