1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ সামরিক মহড়া নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা পুলিশের ৪৯ পরিদর্শককে অবসরে পাঠাল সরকার রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ, কমছে ট্রেনের বিরতিও প্রশাসনে আবারও রদবদল: ৭ কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন ও প্রত্যাহার দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে

বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে পরিবার পাবে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৪০ বার দেখা হয়েছে

আকাশপথে যাত্রী ও তার মালামালের সুরক্ষায় ক্ষতিপূরণের বিষয়ে একটি আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ‘আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন, ১৯৯৯) আইন, ২০১৯’ নামে খসড়া আইনটি মন্ট্রিল কনভেনশন অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এই আইন কার্যকর হলে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এক কোটি ৪০ লাখের মতো টাকা পাবেন। সোমবার নিজ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে একথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ক্ষতিপুরণের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তারা যে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে তা খুবই সামান্য। এটা মন্ট্রিল কনভেনশনের আওতায় হলে অনেকগুণ বেশি হত। কমপক্ষে জনপ্রতি এক কোটি ৪০ লাখ টাকার মত পেতেন। কিন্তু সেটা পাননি, ১২ হাজার ডলারের মতো পেয়েছেন।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘আইনের মূল ফোকাসটা হচ্ছে বিমানযোগে যাত্রী, ব্যাগেজ ও কার্গো পরিবহন- এগুলোর ক্ষেত্রে মৃত্যু বা ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে আমরা যেন প্রতিকার পেতে পারি।’

বিশ্বব্যাপী বেসামরিক বিমান পরিবহন ব্যবস্থা ১৯৯৯ সালের আগে পরিচালিত হতো ওয়ারশ কনভেনশন দিয়ে। এরপর মন্ট্রিল কনভেনশনের মাধ্যমে বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এবং যাত্রীর সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা হয়। বাংলাদেশ ২০০৩ সালে মন্ট্রিল কনভেনশনে সই করলেও তা সক্রিয় করার জন্য রাষ্ট্রীয় অনুমোদন (র‌্যাটিফাই) না দেওয়ায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারিত হত পুরনো ওয়ারশ কনভেনশন অনুযায়ী।

এই আইন না থাকায় আইন না থাকায় এতোদিন এই সুবিধা দেয়া যায়নি বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026