নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ৮ অগাস্ট তিন বান্ধবী বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশনে তাদের আটকে দেওয়া হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
বৈধ পাসপোর্টসহ সব ধরনের ভ্রমণ নথি থাকার পরও তিন বান্ধবীকে নেপাল যেতে ইমিগ্রেশনে বাধা দেওয়ার ঘটনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।
এ ঘটনায় পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখার অতিরিক্ত আইজিপির কাছে করা অভিযোগটি তদন্তপূর্বক সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল দেয়।
রুলে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, ইমিগ্রেশন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিচালক, শাহজালাল বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি এবং ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের রুলের জবাব দিতে হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রিফা তামান্না, সোহানি ইসলাম সমাপ্তি ও নাজনীন সম্পর্কে বান্ধবী। তারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের নামে কোনো মামলা বা আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই। নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ৮ অগাস্ট তারা বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশনে তাদের আটকে দেওয়া হয়।
“তারা যখন নেপালে যেতে চেয়েছে, তাদের ইমিগ্রেশনে আটকে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করেছে- তারা কেন অবিবাহিত অথবা বিদেশযাত্রায় তাদের বাসার সম্মতি আছে কি না। পরবর্তীতে তাদের ইমিগ্রেশন পার হতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো কারণও দেখানো হয়নি।”
ইমিগ্রেশনে আটকে বিদেশ যেতে না দেওয়ায় তাদের টিকেট, বুকিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতি হয় তথ্য দিয়ে আইনজীবী ইশরাত বলেন, “এ ঘটনার তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত ৩১ অগাস্ট পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখার অতিরিক্ত আইজিপির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়।
“ওই অভিযোগের বিষয়ে কোনো সাড়া না পাওয়ায় গত ৬ সেপ্টেম্বর বিবাদীদের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়। সেখানেও জবাব না পেয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রিটটি করা হয় হাই কোর্টে। রিট আবেদনে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের আওতায় নাগরিকদের চলাফেরা ও সমতার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
“ভবিষ্যতে কোনো নারীকে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বৈবাহিক অবস্থা বা অভিভাবকদের সম্মতির বিষয় নিয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হয়রানি না করার বিষয়ে নির্দেশনা এবং ভুক্তভোগীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আরজি জানানো হয় রিটে।”
ডলারের অঙ্ক বাড়ে, শ্রমিকের হিসাব মেলে না
মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না
ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত
রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি