1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিয়ানীবাজারে সুনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনের বাধা কাটল: নির্ধারিত দিনেই প্রতিযোগিতা নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম জাপানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে আহত ২৩, টোকিওসহ বিভিন্ন অঞ্চলে রেল ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যাহত অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক কর্তৃক সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ নিয়ে আলোচনা জনপ্রিয় অভিনেতা শুটিং শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার মুখোমুখি দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম ওড়িশা উপকূলে পানামার পতাকাবাহী কার্গো জাহাজডুবি: ২৪ নাবিকের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকসহ উদ্ধার দুজন রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একান্ত সচিব হিসেবে মো. আবু আউয়ালের নিয়োগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলো বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন রাজ চক্রবর্তী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৫ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয় মিঠুন চক্রবর্তী এখনও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘মৃগয়া’ থেকে শুরু করে ‘কাবুলিওয়ালা’ পর্যন্ত তার অভিনয় প্রতিভা প্রশংসিত। তবে বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে পরিচালকরা কখনও কি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন এবং মিঠুন কি খুব রাগী—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিলেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

রাজ চক্রবর্তী ২০২৪ সালে ‘সন্তান’ ছবিতে মিঠুন, শুভশ্রী ও ঋত্বিকের সঙ্গে কাজ করেন। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মিঠুনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা “চ্যালেঞ্জিং কিন্তু অনুপ্রেরণামূলক” ছিল। তিনি বলেন, “যখন একজন বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন, কিছুটা হোমওয়ার্ক করা প্রয়োজন। আপনি যদি নিজেই ফ্লোরে বিভ্রান্ত থাকেন, তাহলে উনি বুঝে যাবেন। উনি টেকনিক্যালি ভীষণ শক্তিশালী।”

মিঠুনের অভিনয় পদ্ধতি নিয়ে রাজ বলেন, “মিঠুন চক্রবর্তী ওয়ান টেক অভিনেতা। তিনি সাধারণত একবারই টেক দেবেন। যদি পরিচালক বারবার টেক নিতে চান, তবে তাকে যথাযথভাবে বোঝাতে হবে কেন টেক নেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় উনি নতুন টেক দেবেন না।”

রাজ চক্রবর্তী আরও বলেন, মিঠুন কখনো রেগে যাননি এবং সর্বদা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনয় করেছেন। “কাজ শেষ হলেও তিনি ফ্লোরে থাকতেন এবং অন্য অভিনেতা যখন অভিনয় করতেন, উনি ঠিক একই ইমোশন দিয়ে পাশে দাঁড়াতেন। এই মানুষটিকে মুডি বলা যায় না।”

‘সন্তান’ ছবিতে মিঠুনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাজ চক্রবর্তী প্রমাণ করেছেন যে বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে হলে শুধু টেকনিক্যাল দক্ষতা নয়, ধৈর্য ও মনোযোগও অপরিহার্য। মিঠুনের পেশাদারিত্ব এবং সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিক মনোভাব তাকে আজও চলচ্চিত্রে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করছে।

শব্দসংখ্যা: ৩২০

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026