1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের গেজেটভুক্তির আবেদনে ব্যাপক অনিয়ম, ২০০টি ভুয়া শনাক্ত কুমিল্লায় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধে ব্রাজিল সমর্থক নিহত চাঁদপুরে সাবেক প্যানেল মেয়র ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ফরিদা ইলিয়াছ গ্রেপ্তার বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা ফিফা সভাপতির, রেফারিং নিয়ে নীরবতা কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল, বিআরইবির সঙ্গে চুক্তি ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে বর্ণবাদের শিকার ইউটিউবার আইশোস্পিড, তদন্তে ফিফা মিশরকে হারিয়ে মেসির সাত রেকর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন রাজ চক্রবর্তী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয় মিঠুন চক্রবর্তী এখনও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘মৃগয়া’ থেকে শুরু করে ‘কাবুলিওয়ালা’ পর্যন্ত তার অভিনয় প্রতিভা প্রশংসিত। তবে বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে পরিচালকরা কখনও কি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন এবং মিঠুন কি খুব রাগী—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিলেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

রাজ চক্রবর্তী ২০২৪ সালে ‘সন্তান’ ছবিতে মিঠুন, শুভশ্রী ও ঋত্বিকের সঙ্গে কাজ করেন। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মিঠুনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা “চ্যালেঞ্জিং কিন্তু অনুপ্রেরণামূলক” ছিল। তিনি বলেন, “যখন একজন বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন, কিছুটা হোমওয়ার্ক করা প্রয়োজন। আপনি যদি নিজেই ফ্লোরে বিভ্রান্ত থাকেন, তাহলে উনি বুঝে যাবেন। উনি টেকনিক্যালি ভীষণ শক্তিশালী।”

মিঠুনের অভিনয় পদ্ধতি নিয়ে রাজ বলেন, “মিঠুন চক্রবর্তী ওয়ান টেক অভিনেতা। তিনি সাধারণত একবারই টেক দেবেন। যদি পরিচালক বারবার টেক নিতে চান, তবে তাকে যথাযথভাবে বোঝাতে হবে কেন টেক নেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় উনি নতুন টেক দেবেন না।”

রাজ চক্রবর্তী আরও বলেন, মিঠুন কখনো রেগে যাননি এবং সর্বদা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনয় করেছেন। “কাজ শেষ হলেও তিনি ফ্লোরে থাকতেন এবং অন্য অভিনেতা যখন অভিনয় করতেন, উনি ঠিক একই ইমোশন দিয়ে পাশে দাঁড়াতেন। এই মানুষটিকে মুডি বলা যায় না।”

‘সন্তান’ ছবিতে মিঠুনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাজ চক্রবর্তী প্রমাণ করেছেন যে বড় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে হলে শুধু টেকনিক্যাল দক্ষতা নয়, ধৈর্য ও মনোযোগও অপরিহার্য। মিঠুনের পেশাদারিত্ব এবং সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিক মনোভাব তাকে আজও চলচ্চিত্রে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করছে।

শব্দসংখ্যা: ৩২০

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026