1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

দেশের ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাসরুম তৈরি করা হবে : অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯
  • ২০৯ বার দেখা হয়েছে

‘ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষা’ পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাসরুম’ তৈরির কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনায় একথা জানান।
তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ব্যবহার করে প্রাথমিক শিক্ষায় সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ‘ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষা’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাসরুম তৈরি করা হবে।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে স্থানীয় ব্যক্তিসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় স্কুল ফিডিং নীতি প্রণয়ন করা হবে। যার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়ন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে যেসকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে, তা হলো: প্রয়োজনীয়তার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ে কক্ষ নির্মাণ, চাহিদার ভিত্তিতে বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কারকরণ কাজ। এছাড়া বিদ্যালয়ে ওয়াশব্লক নির্মাণ ও নলকূপ স্থাপন, সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদালয়ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনা (ইউপেপ) কার্যক্রম বাস্তবায়নে অর্থযোগান দেওয়া। শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের জন্য ডিপ-ইন-এড এবং বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান, বিদ্যালয়, অফিস ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসমূহে কম্পিউটার ও আইসিটি সামগ্রী সরবরাহ, বিনামূল্যে বই বিতরণ এবং উপবৃত্তি কার্যক্রম াব্যাহত থাকবে।
আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে ২৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা বর্তমান ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ২০ হাজার ৫২১ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।
প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি ও বরাদ্দ দাবীসমূহে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত বরাদ্দের মধ্যে পরিচালন খাতে ১৪ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026