1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিলেটে অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এনে উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাতবোমা বিস্ফোরণে ৪ ছাত্রী আহত, তদন্তে পুলিশ বিশ্রামে থাকলেও অভিনয়ে সরব খায়রুল বাসার: সাফল্য ও নতুন কাজের ধারাবাহিকতা সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: গঠিত হলো তিনটি তদন্ত কমিটি, মামলা প্রক্রিয়াধীন দেশের বাজারে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম ১৮ বছরের সংকট নিরসনে সরকারের সময় প্রয়োজন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে তৈরি হবে মাঠ অক্টোবরেই চালু হচ্ছে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে দুর্নীতি : ৫ জনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯
  • ১৫৯ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাব কেনার নামে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। ১২ মে রোববার রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের একটি দল। এর আগে সেখানে গিয়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট নথিও সংগ্রহ করে সংস্থাটি।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য দুদকের চট্টগ্রাম ২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে দলটিই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ অধিদপ্তরের মহাপরিচাল আবুল কালাম আজাদসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাড়া আরও যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁরা হলেন, অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর আবদুর রশীদ, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক মো. ইউনুস, উপ-কর্মসূচি ব্যবস্থাপক কামরুল কিবরিয়া ও প্রধান সহকারী আবদুল মালেক। তবে উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে সেখানে উপস্থিত হয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র ক্রয়সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি, মেডিকেল কলেজে ফার্নিচার ক্রয়সংক্রান্ত আইন-বিধি ও নীতিমালার কপি সংগ্রহ করে দুদকের দলটি।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আসবাব কেনার জন্য ২০ কোটি ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮০০ টাকার প্রশাসনিক অনুমোদনসহ বরাদ্দ চান। চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের প্রশাসনিক প্ল্যানে তাঁদের জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তারপরও মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে ওই পরিমাণ টাকা বরাদ্দ দেওয়াসহ প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য পাওয়া প্রস্তাব সুপারিশসহ অগ্রবর্তী করা হয়। নথিতে ওই ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সই করেন।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অনুসন্ধান দলের প্রধান দুদকের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র কেনার মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের আসবাবপত্র কেনার জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটিকে ৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। আরেক প্রতিষ্ঠানের টাকা পরিশোধ করা হয়নি। আসবাবপত্র কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তারপরও মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে টাকা বরাদ্দ দেওয়াসহ প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেন মহাপরিচালকসহ জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসা ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সই করেছেন। তাঁর মতে, এখানে দুর্নীতি হয়েছে, সেটা স্পষ্ট।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026