1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিলেটে অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এনে উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাতবোমা বিস্ফোরণে ৪ ছাত্রী আহত, তদন্তে পুলিশ বিশ্রামে থাকলেও অভিনয়ে সরব খায়রুল বাসার: সাফল্য ও নতুন কাজের ধারাবাহিকতা সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: গঠিত হলো তিনটি তদন্ত কমিটি, মামলা প্রক্রিয়াধীন দেশের বাজারে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম ১৮ বছরের সংকট নিরসনে সরকারের সময় প্রয়োজন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে তৈরি হবে মাঠ অক্টোবরেই চালু হচ্ছে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী

ফণী শক্তিশালী হচ্ছে, জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় ফণী সাগর থেকে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে বেশ ধীর গতিতে। গতি ধীর হলেও এর মধ্যে ফণী প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। যত সময় যাচ্ছে, ফণী ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ফণীর আঘাত বেশ মারাত্মক হতে পারে। ফণীর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে। ডুবে যেতে পারে নিম্নাঞ্চল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দীন আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ধীর এগিয়ে আসলেও ফণী বেশ শক্তিশালী হয়ে গেছে। এখন তার গতি বেড়ে গেছে। তাই ফণী ৪ মের আগেও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফণী বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত করতে পারে। তাই কিছুটা দুর্বল অবস্থায় ফণী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার দিকে আসবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দীন আহমেদ বলেন, ফণীর শক্তি কেমন হবে, সেটি আজ দুপুরে বোঝা যাবে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেন, ফণী কখন আঘাত হানবে, তার ওপর ক্ষয়ক্ষতি নির্ভর করবে। আঘাত যদি জোয়ারের সময় হয়, তাহলে জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা বেশ বেশি হবে।

ফণী আজ সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। স্বল্প সময়ের নোটিশে তারা যাতে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে, সে জন্য সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি প্রায় এক সপ্তাহ আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। নাম হয় তার ফণী।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026