1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম ১৮ বছরের সংকট নিরসনে সরকারের সময় প্রয়োজন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে তৈরি হবে মাঠ অক্টোবরেই চালু হচ্ছে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৯৮ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৯৮ ব্যক্তিগত জীবন ও গুঞ্জন নিয়ে বিতর্কে জড়াতে চান না সাদিয়া আয়মান, অভিনয়েই মনোযোগ শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন বিএনপি ৩১ দফা ঘোষণা করে, ৩২ দফাও বাস্তবায়ন করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮ বছরের সংকট নিরসনে সরকারের সময় প্রয়োজন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে জমে থাকা বিভিন্ন খাতের প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সংকট স্বল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। দেশ পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিগত সময়ে রাজনৈতিক কারণে তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বিবেচনা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বাদ পড়া যোদ্ধাদের নতুন করে গেজেটভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক দোয়া ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও চলমান রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত ১৮ বছরে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থায় যে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে, তা মাত্র পাঁচ কিংবা আঠারো মাসে পুরোপুরি দূর করা বাস্তবসম্মত নয়। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মাথায় সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দেওয়া অনুচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থে সব পক্ষকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং দেশ পুনর্গঠনের কাজে সরকারকে সক্রিয় সহযোগিতা দিতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাই প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বিগত সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত অসংখ্য অভিযোগ ও আবেদনপত্র গ্রহণ করেছে। প্রাপ্ত সব আবেদন নিরপেক্ষভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে বঞ্চিত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনরায় রাষ্ট্রীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে যথাযথ স্বীকৃতি ও অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, পূর্ববর্তী সরকার দায়িত্ব ছাড়ার আগমুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে গেজেটভুক্ত করে তালিকাভুক্তির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিল। ফলে আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়া অনেক প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হন। এই অসঙ্গতি দূর করতে জুলাইযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির প্রক্রিয়া পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ নতুন করে আবেদন করতে পারবেন এবং মাঠপর্যায়ে যথাযথ যাচাইয়ের পর তাদের গেজেটভুক্ত করা হবে।
বিগত ১৮ বছরে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তার বিষয়ে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক কারণে হত্যা, গুম, শারীরিক নির্যাতন ও মামলার শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাদের পরিবার আবেদন করলে তা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেকোনো বিভেদ ও পারস্পরিক দ্বন্দ্ব আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় থাকলে যেকোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা নিশীতা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলনসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026