1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ইলন মাস্কের মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে একই দিনে ২৭ মে পাকিস্তানে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা জারি আইনি জটিলতায় আবারও শঙ্কার মুখে অনুদানের সিনেমা ‘বনলতা সেন’ মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলার জেরে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে চালক ও সহকারী নিহত যুক্তবিরতি আলোচনা থমকে যাওয়ার মুখে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের জেদ্দা-রিয়াদ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আজ চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারে ব্রাজিল, দলে ফিরছেন নেইমার চলতি বছর হজ পালনে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি

সুরা বাকারার ২৮৫-২৮৬ আয়াত নিয়মিত পাঠ করলে জান্নাতের পথ সুগম করবে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২০৬ বার দেখা হয়েছে

রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), কোরআনের কোন সুরা সবচেয়ে বেশি মর্যাদাবান? তিনি বললেন, সুরা ইখলাস। এরপর আবার বললেন, কোরআনের কোন আয়াতটি মর্যাদাবান? তিনি বললেন, আয়াতুল কুরসি। এরপর আবার বলেন, হে আল্লাহর নবী, আপনি কোন আয়াতকে পছন্দ করেন, যা দ্বারা আপনার ও আপনার উম্মত লাভবান হবে। নবীজি (সা.) বললেন, সুরা বাকারার ২৮৫-২৮৬ নম্বর শেষ দুটি আয়াত।সুরা বাকারা পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় সুরা। এ সুরার শেষ দুটি আয়াতের রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্য। নিয়মিত এ অংশের আমল বান্দাকে নানা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে। জান্নাতের পথও সুগম করবে।

এ দুটি আয়াত কখন অবতীর্ণ হয়?

সহিহ্ মুসলিমে এ দুটি আয়াতের ব্যাপারে বর্ণিত আছে যে, ‘এ দুটি আয়াত রাসুল (সা.)-কে মিরাজের রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঙ্গে আসমানে দান করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন

কী বলা হয় সুরা ফাতিহায়

আমানার রাসুলু বিমা উনঝিলা ইলাইহি মিররাব্বিহি ওয়াল মুমিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালা ইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিমমির রুসুলিহি। ওয়া কালু সামিনা ওয়া আতানা গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির। লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা-লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত-রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন-নাসিনা আও আখতানা-রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাজিনা মিং ক্বাবলিনা- রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি-ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা- আংতা মাওলানা ফাংসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরিন।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২৮৫-২৮৬)

এ দুটি আয়াতের অর্থ হচ্ছে, তার প্রতিপালকের কাছ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে রসুল তার ওপর বিশ্বাস করে আর বিশ্বাসীরাও। তারা সকলেই বিশ্বাস করে আল্লাহয়, তাঁর ফেরেশতাগণে, তাঁর কিতাবগুলোয় ও তার রসুলদের ওপর (এবং তারা বলে) ‘আমরা তাঁর রসুলদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করি না। আর তারা বলে, ‘আমরা শুনি ও মানি । হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা তোমার নিকট ক্ষমা চাই, আর তোমার কাছেই আমরা ফিরে যাব।”বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026