1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

শামীম-সালমা দম্পতি পাঁচ বছরেই আঙুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে শতকোটি টাকার সম্পদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৮২ বার দেখা হয়েছে
সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়ার্ক অর্ডার, ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে জমি এবং ফ্ল্যাট বিক্রির মাধ্যমে এক দম্পতির বিরুদ্ধে ১৩৯ কোটি টাকা প্রতারণার তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধী তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঢাকায় প্রতারণা করে ওই টাকা দিয়ে গ্রামের বাড়িতে আলিশান বাড়ি করেছেন। বাবা, ভাই ও আত্মীয়-স্বজনদের নামে কিনেছেন শত বিঘা জমি। সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে অবৈধ সম্পদের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা শামীম-সালমা দম্পতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ও জেলায় প্রতারণার মামলা পেয়েছে ২৯টি। ওইসব মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেলহাজতে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে বর্তমানে তারা লাপাত্তা।
২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ‘শামীমের বাড়ি প্রতারণা’ শিরোনামে সময়ের আলোতে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে শামীম ভূঁইয়া ও সালমা ভূঁইয়া দম্পতির বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অর্থ প্রতারণার বিষয়টি আমলে নেয় সিআইডি। দীর্ঘ তদন্তের পর এ দম্পতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংকে ১৩৯ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। পরে চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি সিআইডির পরিদর্শক মো. আবদুল লতিফ বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা করেন। মামলায় শামীম ভূঁইয়া ও সালমা ভূঁইয়াকে আসামি করা হয়। প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়।

অভিযুক্ত শামীম ভূঁইয়া (৩০) ও তার স্ত্রী সালমা ভূঁইয়া (৫৫) কয়েক দফা গ্রেফতার হলেও প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের এক টাকাও পরিশোধ করেননি। উল্টো পাওনাদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ঠুকে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া দলিলে কোটি কোটি টাকা ঋণ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে।
মানি লন্ডারিং মামলার বাদী সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর টিম-২-এর পরিদর্শক মো. আবদুল লতিফ সময়ের আলোকে বলেন, বাদী ও ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে শামীম ভূঁইয়া ও তার স্ত্রী সালমা ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ গড়ে তুলেছে। যেসব সম্পদ গড়ে তুলেছে, তার সবই প্রতারণার টাকায়। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তিনি বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা করেন। তিনি বলেন, মামলাটির তদন্ত করছেন একই টিমের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা।
সিআইডি সূত্র জানায়, শামীম ভূঁইয়ার বাবার নাম মো. সৈয়দ ভূঁইয়া ও মায়ের নাম বিলকিস বেগম। বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার বুধন্তী গ্রামে। শামীম ভূঁইয়ার নথিপত্রে বাবা ও ভাইদের পেশা কৃষিকাজ উল্লেখ করলেও প্রতারণার টাকায় এলাকায় তাদের নামে রয়েছে একটি আলিশান বাড়ি ও অঢেল সম্পদ।বিস্তারিত
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026