1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনে বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ গ্রেফতার ৪৪০ চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা: খলনায়ক ডনের সাত দিনের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য বিএনপি’র নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব জোরদারে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে

ওরা গলা টিপে ধরেই আমাকে মেরেছে: ক্রিকেটার নাঈম

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে মারধর ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগ খেলে বিমানযোগে নিজ শহর চট্টগ্রামে ফেরার পথে লালখানবাজার ফ্লাইওভারের নিচে এ ঘটনা ঘটে। ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা এবং লাঠি ও পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয় বলে জানা গেছে। আহত অবস্থায় ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিজ বাসভবনে অবস্থান করছেন।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে নাঈম হাসানকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি থামায় পুলিশ। এ সময় চালকের কাছ থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি নাঈমের ব্যাগ তল্লাশি করতে চান দায়িত্বরত ব্যক্তিরা। নাঈম হাসান নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও সাদা পোশাকে থাকা এক ব্যক্তি এবং দুই পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। নাঈমের অভিযোগ, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে গলা চিপে ধরে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে তাকে পাইপ ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ জনতা তার ক্রিকেটার পরিচয় নিশ্চিত করার পরও নির্যাতন থামানো হয়নি বলে তিনি জানান।

ভুক্তভোগী ক্রিকেটার নাঈম হাসান জানান, তল্লাশির নামে তাকে ‘আসামি’ আখ্যা দিয়ে অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখানোর পরও দায়িত্বরত ব্যক্তিরা কোনো কথা শোনেননি। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। নাঈমের অভিযোগ, সাদা পোশাকে থাকা পুলিশের কথিত এক সোর্স এবং পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা সরাসরি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। দেশের একজন সচেতন নাগরিক এবং জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন অপেশাদার আচরণ ও শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।

ঘটনার পর নাঈম হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। বিসিবি সভাপতি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং নাঈমের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। দেশের একজন জাতীয় ক্রিকেটারকে এভাবে হেনস্তার ঘটনায় বিসিবির পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং ক্রিকেটারের পরিবারকে আইনি প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে এই ঘটনার পর স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে একজন জাতীয় স্তরের খেলোয়াড়কে এভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, কোনো চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সদস্যরা সেখানে অভিযানে গিয়েছিলেন। তবে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং পুলিশিং নিয়মের বাইরে গিয়ে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভুক্তভোগী ক্রিকেটার ন্যায়বিচার পাবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026