1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সমুদ্রসম্পদ আহরণ ও নৌপথের আধুনিকায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর জোর তাগিদ তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন, ডিএসইতে লেনদেন কমলেও সিএসইতে বেড়েছে দেশের বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার পার মায়ের জন্য অ্যাম্বুলেন্স না পেলেও প্রতিশোধ চাই না: প্রধানমন্ত্রীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল, দাবি দেশটির সিংহভাগ নাগরিকের ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিতের লক্ষ্যে আজ ইরাকের মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার; ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: শ্রমবাজার ও বাণিজ্য প্রসারে জোর

নতুন মহামারির আশঙ্কা, মৃত্যু হতে পারে ৫ কোটি মানুষের

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এক্স    নামে নতুন এক রোগের কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগ করোনাভাইরাসের মতো মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মৃত্যু হতে পারে পাঁচ কোটি মানুষের। এই রোগকে ‘ডিজিজ এক্স’ বলে সংজ্ঞায়িত করেছে ডব্লিউএইচও।

যুক্তরাজ্যের ভ্যাকসিন টাস্কফোর্সের সাবেক প্রধান কেট বিংহ্যাম ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেন, নতুন এই ভাইরাস স্প্যানিশ ফ্লু এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে। ১৯১৯-২০ সালে বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল স্প্যানিশ ফ্লু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এই রোগ-ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ফাঙ্গাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এখনো এই রোগের কোনো চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি।

বিংহ্যাম বলেন, ‘১৯২০ সালের মহামারিতে অন্তত ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল. যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধেরও দ্বিগুণ। বর্তমান বিশ্বেও এমন ভাইরাসেও এত সংখ্যক মৃত্যু হতে পারে।’

এই রোগ থেকে বাঁচতে গণটিকার প্রস্তুতি ও রেকর্ডদ্রুত সময়ে তা সরবরাহ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের ২৫ ধরনের গোত্র পেয়েছে। তবে এর ১০ লাখেরও বেশি ভ্যারিয়েন্ট থাকতে পারে।

বিংহ্যাম বলেন, ‘করোনা মহামারির ক্ষেত্রে আমরা হয়তো সৌভাগ্যবান ছিলাম। বিশ্বজুড়ে ২ কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পরও আমি একথা বলছি কারণ বেশিরভাগ মানুষই সুস্থ হয়ে উছে। কিন্তু ডিজিজ এক্স এর সংক্রমণ হার যদি এমন হয় আর মৃত্যুহার যদি ইবোলার মতো হয় তবে পরিণতি হবে খুবই ভয়াবহ।’

ইবোলার মৃত্যুহার ৬৭ শতাংশ। বার্ড ফ্লু ও মার্স ভাইরাসের মৃত্যু হারও এমন। তাই সামনের মহামারি নিয়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিংহ্যাম। তিনি বলেছেন, আধুনিক বিশ্বে মহামারি বাড়ছে। এর মূল কারণ বিশ্বায়ন। বেশিরভাগ মানুষ নগরের দিকে ছুটছে এবং ঘনবসতি বাড়ছে। বনায়ন ধ্বংস ও আধুনিক কৃষিব্যবস্থার কারণেও ভাইরাসেরও নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হচ্ছে।

চলতি বছর মে মাসে প্রথম ডিজিজ এক্স এর কথা জানিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026