1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মালয়েশিয়া সফর শেষে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর, বর্তমানে বেইজিংয়ে ঝিনাইদহে ট্রাক্টর-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, চালক গুরুতর আহত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি মোতায়েন ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহারে শুল্কমুক্ত সুবিধা কার্যকরের দাবি বিটিএমএ-র ইউসিবিএল ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার মামলায় আরও ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ আশুরায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিষিদ্ধ দলের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা নস্যাৎ জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণের ওপর জোর

অর্থঋণ আদালতের মামলায় আটকা পৌনে ২ লাখ কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা

ব্যাংকঋণের টাকা খেলাপি হওয়া দিন দিন বাড়ছে। কারণ, নথিপত্র ছাড়া নামে-বেনামে ঋণ নেওয়া অব্যাহত আছে। এসব ঋণ আদায়ে অর্থঋণ আদালতে দ্বারস্থ হচ্ছে ব্যাংকগুলো। এই আদালতে বিচারাধীন মামলায় আটকে থাকা টাকার পরিমাণও দিন দিন বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুন মাস শেষে অর্থঋণ আদালতে ৭২ হাজার ৫৪০টি বিচারাধীন মামলার বিপরীতে আটকে আছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। ছয় মাস আগে ডিসেম্বর শেষে অর্থঋণ আদালতে ৭২ হাজার ১৮৯টি বিচারাধীন মামলার বিপরীতে আটকে ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। ফলে ছয় মাসের ব্যবধানে বিচারাধীন মামলা বেড়েছে ৩৭১টি। এর বিপরীতে নতুন করে ১১ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা আটকে পড়েছে। এর আগে ২০২২ সালের জুন শেষে ৬৯ হাজার ৩৬৯টি মামলার বিপরীতে আটকে ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা।

এর মধ্যে গত জুন শেষে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে ৪৪ হাজার ৬০৫টি মামলার বিপরীতে আটকে ছিল ৯৫ হাজার ৯৩৭ কোটি, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে ১১ হাজার ১৬৬টি মামলায় ৭৫ হাজার ৯৭৩ কোটি, বিদেশি ব্যাংকে ৮ হাজার ৫২২টি মামলায় ৩ হাজার ৯১৯ কোটি এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে ৪ হাজার ৯৩৩টি মামলায় ২ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থঋণ আদালতে মামলা করার পরও অনেক ঋণ আলোচনার মাধ্যমে আদায় হয়। তখন মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আদায় হওয়া এমন টাকার পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। এর আগে গত বছরের শেষ ছয় মাসে আদায় হয়েছিল ২১ হাজার ৮৩ কোটি টাকা।

কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি ব্যাংকে বেনামি ঋণগুলো প্রকৃত মালিকের নামে দেখানো শুরু হয়েছে। এখন বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকে বেনামি ঋণের দায় প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে দেওয়ার সময় এসেছে। না হলে এসব ঋণ নিয়ে ভবিষ্যতে বড় সংকটে পড়বে পুরো ব্যাংক খাত। এসব ঋণ আদায় করাও তখন সম্ভব হবে না। ফলে অর্থঋণ আদালতে মামলার চাপ আরও বাড়বে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026