1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মালয়েশিয়া সফর শেষে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর, বর্তমানে বেইজিংয়ে ঝিনাইদহে ট্রাক্টর-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, চালক গুরুতর আহত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি মোতায়েন ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহারে শুল্কমুক্ত সুবিধা কার্যকরের দাবি বিটিএমএ-র ইউসিবিএল ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার মামলায় আরও ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ আশুরায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিষিদ্ধ দলের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা নস্যাৎ জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণের ওপর জোর

সানজিদা-হারুনের সঙ্গে কী ঘটেছিল, উঠে এল চিঠিতে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাময়িক বহিষ্কৃত অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ ও অপর এডিসি সানজিদা আফরিনের সঙ্গে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে মারামারি হয়। গত শনিবার রাতে সানজিদার স্বামী ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে তাদের এ মারামারি হয়। সেদিনের সেই ঘটনা তুলে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন সেখানকার নিরাপত্তা কর্মকর্তা সিকিউরিটি সুপারভাইজার ওয়ারেছ আলী।

ওয়ারেছ আলী তার তিনি চিঠিতে লেখেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আসা একদল দর্শনার্থী ইটিটি কক্ষের সামনে মারামারি করেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এসে তিনি এই মারামারি দেখতে পান। দুই পক্ষকে অনুরোধ করে তিনি মারামারি থামাতে সমর্থ হন।

তিনি লেখেন, মারামারিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে, প্রথমে তারা পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অনুরোধ করলে তারা পরিচয় দেন। এতে জানা যায়, একজন রাষ্ট্রপতির এপিএস (সহকারী একান্ত সচিব আজিজুল হক) এবং অন্যজন হচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা (হারুন অর রশিদ)। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রমনা ও শাহবাগ থানার পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়।

 

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে শাহবাগ থানায় তুলে নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে বেধড়ক পিটুনি দেয় পুলিশ। ওই তিন নেতা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।

পিস্তলের বাঁট দিয়ে মেরে আনোয়ার হোসেন নাঈমের বেশ কয়েকটি ভেঙে ফেলেন এডিসি হারুন অর রশিদ। এ ঘটনার জেরে রবিবার এডিসি হারুনকে এপিবিএনে বদলি করা হয়।

অন্যদিকে, ঘটনা তদন্তে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিএমপি। পরের দিন গত সোমবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এডিসি হারুনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026