1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
তরুণ প্রজন্মের হাতেই দেশের উন্নয়ন নির্ভর করছে: মির্জা ফখরুল ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে তুরস্ক: প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে সতর্ক কোচ মন্টেলা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ওরা গলা টিপে ধরেই আমাকে মেরেছে: ক্রিকেটার নাঈম ডিএমপির বিশেষ অভিযানে তেজগাঁওয়ে গ্রেফতার ৬১ রাজধানীতে ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডিবি পরিচয়ে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা: খুলশী থানার তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা এফএসআরইউর জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: তিতাস এলাকায় আজ মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ মেট্রোরেলের ট্র্যাকে প্রাণীর অনুপ্রবেশ: সাময়িক বন্ধ ট্রেন চলাচল সিরাজগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

ফের মাথা চাড়া এমএলএম প্রতারণা ♦ টার্গেট মফস্বলের সাধারণ মানুষ ♦ খুলনা, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, খাগড়াছড়ির আট কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ♦ জড়িয়ে পড়ছে এনজিও বীমা কোম্পানিও ♦ লাইসেন্স ছাড়াই চলছে সঞ্চয় ও ঋণদান কার্যক্রম ♦ গোয়েন্দা প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৯৭ বার দেখা হয়েছে

গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানির নামে নতুন করে নিবন্ধন দেওয়া না হলেও গোপনে গোপনে বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রতারণামূলক এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে এরা বদল করেছে টার্গেট। রাজধানীতে কার্যক্রম না চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা জেলার সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে নীরবে নিভৃতে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। জাতীয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালিত না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে সক্ষম হচ্ছে অভিযুক্ত কোম্পানিগুলো।

সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দেশের বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের বেশ কয়েকটি কোম্পানির অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এসব কোম্পানির অনিয়ম তুলে ধরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমএলএম আইন ২০১৩ এবং সমবায় সমিতি আইন ২০০১-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কয়েকটি কোম্পানি। এসব কোম্পানি বন্ধ করতে না পারলে সাধারণ মানুষ পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হতে পারে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

অভিযুক্ত কোম্পানিগুলো মূলত মফস্বলের সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে নীরবে প্রতারণার জাল বিছিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের না আছে কোনো লাইসেন্স না কোনো নিবন্ধন। সারা দেশে এ ধরনের ১০টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা, যার মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানই জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নানা অনিয়ম দেখা গেছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026