1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষকদের জন্য ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ উদ্বোধন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি মাইকিংয়ের জেরে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার ইউএনওর গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের তালিকা তৈরির উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের অগ্রাধিকার, তেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে ১২.৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক

সিঙ্গাপুর থেকে কেন অর্থ পাচারকারীরা চলে যাচ্ছেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২১ বার দেখা হয়েছে

সিঙ্গাপুরকে এশিয়ার ‘বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট’ বলা হয়। আবার কর ফাঁকির ‘অভয়ারণ্য’ বলে কুখ্যাতি আছে। পাচার করা টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য সিঙ্গাপুর অনেকেরই পছন্দের জায়গা। সেই সিঙ্গাপুর অনেকের জন্যই রহস্যময় আচরণ করেছে বলা যায়। অনেকেই এখন আর সিঙ্গাপুরকে কর ফাঁকির অভয়ারণ্য মনে করতে পারছেন না। ফলে অর্থ পাচারকারী অনেকেই সিঙ্গাপুর থেকে অন্য কোথাও চলে যেতে চাচ্ছেন। অনেকে চলেও গেছেন। অর্থ পাচারকারীদের নতুন গন্তব্য দুবাই ও সাইপ্রাসের মতো এলাকা, যেখানে অর্থ লুকিয়ে রাখা সম্ভব। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন সিঙ্গাপুর থেকে অর্থ পাচারকারীরা চলে যাচ্ছেন।

কেন সিঙ্গাপুর কঠোর হচ্ছে

অর্থের অবৈধ ব্যবহার সারা বিশ্বের জন্যই বড় মাথাব্যথা। জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আট শ বিলিয়ন থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ২ থেকে ৫ শতাংশ। এক বিলিয়ন হচ্ছে এক শ কোটি এবং এক ট্রিলিয়ন হচ্ছে এক হাজার বিলিয়ন। আবার দেখা যাচ্ছে, সিঙ্গাপুরের অর্থনীতির যে আকার, তার তুলনায় দেশটির আফশোর তহবিল বহুগুণ বেশি। যেমন মানি লন্ডারিং কর্তৃপক্ষের (এমএএস) তথ্য হচ্ছে, সিঙ্গাপুরের জিডিপি হচ্ছে ৬৪০ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার (৪৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। আর দেশটি ৪ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদ ব্যবস্থাপনা করে, যার ৮০ শতাংশ অর্থই সিঙ্গাপুরের বাইরে থেকে আসে।

বারাক ওবামা

বারাক ওবামা ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (এফএটিসিএ)’ নামের গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন পাস করেছিলেন। এটি মূলত মার্কিন নাগরিকদের কর ফাঁকি বন্ধের আইন। আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নয়, এমন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে। এই আইন না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না। এর পরেই আরও অনেক দেশ একই ধরনের আইন তৈরির উদ্যোগ নেয়। আবার ২০১৪ সালে জি-২০ ও ওইসিডিভুক্ত ৪৭টি দেশ এই লক্ষ্যে তথ্য আদান-প্রদানের একটি অভিন্ন প্রক্রিয়া বা ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’-এর একটি কাঠামো গড়ে তোলে। মূলত এটি একটি স্বয়ংক্রিয় তথ্য বিনিময় কাঠামো বা অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অব ইনফরমেশন ব্যবস্থা। ২০১৭ সাল থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। এসবের ফলে সুইস ব্যাংকসহ অন্যরাও তথ্য দিতে বাধ্য হচ্ছে। পাশাপাশি কর ফাঁকি যারা দেয়, তাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাংকগুলোকে মোটা অঙ্কের জরিমানাও দিতে হচ্ছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026