1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে আমডালা খাল চীনের সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে, তারেক রহমানের সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: রুহুল কবির রিজভী মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা ও নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভের ডাক ঢাকায় ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সাথে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠক অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে অবহেলিত সড়ক সংস্কার করছে চসিক: মেয়র ডা. শাহাদাত লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে শতকের ভয়াবহতম জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা বিশ্বকাপের বাজারে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা: প্রচারণায় নাইকি, বিক্রিতে এগিয়ে অ্যাডিডাস মুন্সীগঞ্জে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ১ লাখ ৯১ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নকআউটে জার্মানি, তবে ভাবনায় রক্ষণভাগ কানাডিয়ান মিডফিল্ডারকে গুরুতর ফাউল: কাতারের মাদিবো ৫ ম্যাচে নিষিদ্ধ

সিঙ্গাপুর থেকে কেন অর্থ পাচারকারীরা চলে যাচ্ছেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪১ বার দেখা হয়েছে

সিঙ্গাপুরকে এশিয়ার ‘বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট’ বলা হয়। আবার কর ফাঁকির ‘অভয়ারণ্য’ বলে কুখ্যাতি আছে। পাচার করা টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য সিঙ্গাপুর অনেকেরই পছন্দের জায়গা। সেই সিঙ্গাপুর অনেকের জন্যই রহস্যময় আচরণ করেছে বলা যায়। অনেকেই এখন আর সিঙ্গাপুরকে কর ফাঁকির অভয়ারণ্য মনে করতে পারছেন না। ফলে অর্থ পাচারকারী অনেকেই সিঙ্গাপুর থেকে অন্য কোথাও চলে যেতে চাচ্ছেন। অনেকে চলেও গেছেন। অর্থ পাচারকারীদের নতুন গন্তব্য দুবাই ও সাইপ্রাসের মতো এলাকা, যেখানে অর্থ লুকিয়ে রাখা সম্ভব। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন সিঙ্গাপুর থেকে অর্থ পাচারকারীরা চলে যাচ্ছেন।

কেন সিঙ্গাপুর কঠোর হচ্ছে

অর্থের অবৈধ ব্যবহার সারা বিশ্বের জন্যই বড় মাথাব্যথা। জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আট শ বিলিয়ন থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ২ থেকে ৫ শতাংশ। এক বিলিয়ন হচ্ছে এক শ কোটি এবং এক ট্রিলিয়ন হচ্ছে এক হাজার বিলিয়ন। আবার দেখা যাচ্ছে, সিঙ্গাপুরের অর্থনীতির যে আকার, তার তুলনায় দেশটির আফশোর তহবিল বহুগুণ বেশি। যেমন মানি লন্ডারিং কর্তৃপক্ষের (এমএএস) তথ্য হচ্ছে, সিঙ্গাপুরের জিডিপি হচ্ছে ৬৪০ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার (৪৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। আর দেশটি ৪ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদ ব্যবস্থাপনা করে, যার ৮০ শতাংশ অর্থই সিঙ্গাপুরের বাইরে থেকে আসে।

বারাক ওবামা

বারাক ওবামা ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (এফএটিসিএ)’ নামের গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন পাস করেছিলেন। এটি মূলত মার্কিন নাগরিকদের কর ফাঁকি বন্ধের আইন। আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নয়, এমন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে। এই আইন না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না। এর পরেই আরও অনেক দেশ একই ধরনের আইন তৈরির উদ্যোগ নেয়। আবার ২০১৪ সালে জি-২০ ও ওইসিডিভুক্ত ৪৭টি দেশ এই লক্ষ্যে তথ্য আদান-প্রদানের একটি অভিন্ন প্রক্রিয়া বা ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’-এর একটি কাঠামো গড়ে তোলে। মূলত এটি একটি স্বয়ংক্রিয় তথ্য বিনিময় কাঠামো বা অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অব ইনফরমেশন ব্যবস্থা। ২০১৭ সাল থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। এসবের ফলে সুইস ব্যাংকসহ অন্যরাও তথ্য দিতে বাধ্য হচ্ছে। পাশাপাশি কর ফাঁকি যারা দেয়, তাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাংকগুলোকে মোটা অঙ্কের জরিমানাও দিতে হচ্ছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026