1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঘিওরে কোটি টাকা আত্মসাৎকারীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৬ হাজার ১৭৪ জন হাজি, প্রাণহানি ৫৫ জনের পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীর তাজিয়া মিছিলের রুটে ট্রাফিক নির্দেশনা জারি অবকাঠামো ও জমি সংকট নিরসনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী বৈশ্বিক ভূমিকম্পের সতর্কবার্তায় মোবাইল প্রযুক্তির ভূমিকা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় সাত রাজনৈতিক দলকে ইসির কারণ দর্শানোর নোটিশ তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা সেনাপ্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর জোর বেইজিংয়ে শি চিন পিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক, বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা

ডলার সংকট এখনও প্রকট

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৩০ বার দেখা হয়েছে

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলার সংকট এখনও প্রকট। প্রায় দেড় বছর ধরে এই সংকট চলছে। ডলারের যোগান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েও কাজ হচ্ছে না।

বকেয়া ঋণ ও আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলোর ত্রাহি অবস্থা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ডলারের দাম আরও বাড়তে পারে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতির লাগাম টানতে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রায় সব ব্যাংকেই সর্বোচ্চ সীমায় ডলার বিক্রি হচ্ছে। এমনকি বেশির ভাগ সরকারি ব্যাংকেও সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংক সর্বোচ্চ সীমার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকও বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণ না করে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) মাধ্যমে ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেয়। তাদের মাধ্যমে প্রতি মাসে ডলারের দাম গড়ে ৫০ পয়সা থেকে এক টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে।

এর অংশ হিসাবে গত ১ আগস্ট সর্বশেষ ডলারের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময়ে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০৯ টাকা করা হয়। রপ্তানি আয়ের ডলারের দাম এক টাকা বাড়িয়ে ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়। একই সঙ্গে আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়। মৌখিকভাবে আমদানিতে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা রাখতে ব্যাংকগুলোকে বলা হয়।

১ আগস্ট থেকে নতুন দর কার্যকর হওয়ার তিন দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বেশির ভাগ ব্যাংকে ডলারের দাম সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যায়। আগে সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে কম দামে ডলার বিক্রি হতো। আন্তঃব্যাংকেও সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে দাম কম থাকত। এখন আন্তঃব্যাংকেও প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। আগে এ বাজারে সর্বোচ্চ ও সর্বনিু দুটি রেট থাকত, এখন সর্বনিু রেট থাকছে না। সবই সর্বোচ্চ রেট।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো বাফেদার প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, সব ব্যাংকই রপ্তানির ডলারের দাম সর্বোচ্চ রেট ১০৮ টাকা ৫০ পয়সায় নিয়ে গেছে। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকাররা জানান, এ খাতে ডলারের দাম কম হলে রপ্তানিকারকরা তা বিক্রি করতে চান না। ফলে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে দরকষাকষি করে বাড়তি দামে ডলার বিক্রি করে। এই প্রবণতা বন্ধে সব ব্যাংকই রপ্তানির ডলার কিনছে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা করে।

 

আমদানিতে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা রাখার মৌখিক নির্দেশনা রয়েছে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী ডলারের গড় ক্রয়মূল্যের চেয়ে সর্বোচ্চ এক টাকা মুনাফা করা যাবে। ব্যাংক যদি সর্বোচ্চ দামে অর্থাৎ রেমিট্যান্স ১০৯ টাকা ও রপ্তানির ডলার ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা করে কিনে তাহলে এর গড় দাম পড়ছে ১০৮ টাকা ৭৫ পয়সা। কিন্তু রপ্তানির ডলার বেশি কেনা হয় রেমিট্যান্সের ডলার কম কেনা হয়। এতে প্রতি ডলারে গড়ে খরচ পড়ে ১০৯ টাকা ২৫ পয়সা। সেই ডলারে এক টাকা মুনাফা করা সম্ভব হয় না। মাত্র ২৫ পয়সা মুনাফায় বিক্রি করতে হয়। এতে ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় উঠে আসে না। তার পরও বেশির ভাগ ব্যাংক আমদানিতে ১০৯ টাকা করেই ডলার বিক্রি করছে। কোনো কোনো ব্যাংক এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে।

আন্তঃব্যাংকের গড় দামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে। আন্তঃব্যাংকে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এর দাম বাড়িয়ে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করেছে।

ব্যাংকগুলো বর্তমানে আন্তঃব্যাংকে ডলার বিক্রি করছে খুবই কম। তারা বিভিন্ন মেয়াদে আগাম বিক্রি করছে। আগাম ডলার তিন মাস মেয়াদে ১১১ টাকা, ছয় মাস মেয়াদে ১১২ টাকা ও এক বছর মেয়াদে ১১৩ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

ডলারের দাম বাড়ায় এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য মুদ্রার দামও বেড়েছে। এখন ইউরো বিক্রি হচ্ছে ১২৩ থেকে ১২৭ টাকা দরে। পাউন্ট বিক্রি হচ্ছে ১৪২ থেকে ১৪৮ টাকা করে।

রেমিট্যান্সের ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিছু বড় ব্যাংক এর চেয়ে কিছু কম দামে রেমিট্যান্স কিনছে। অন্য ব্যাংকগুলো ১০৯ টাকা করেই কিনছে। কিছু দুর্বল ব্যাংক ডলার সংকট মেটাতে ১১২ থেকে ১১৩ টাকা করেও ডলার কিনছে। হুন্ডিতে আরও বেশি দামে ডলার বেচাকেনা হচ্ছে।

আমদানিতে ডলারের গড়দাম ১০৯ টাকা ২৫ পয়সার বেশি। ৫৭টি ব্যাংকের মধ্যে ১৭টি ব্যাংক সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা দামে ডলার বিক্রি করছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি খাতের অগ্রণী, বাংলাদেশ কৃষি, বেসিক ব্যাংক। বেসরকারি খাতের সিটিজেন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, আইএফআইসি, ইসলামী, মেঘনা, মধুমতি, এনআরবি, এনআরবি কমার্শিয়াল, পদ্মা, পূবালী, শাহজালাল, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন ব্যাংক।

বেশ কিছু ব্যাংক ১০৯ টাকার বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের জনতা ব্যাংক ১০৯ টাকা ৪৩ পয়সা, সোনালী ব্যাংক ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা দরে বিক্রি করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026